নাইকোর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জয়, ক্ষতি পূরণ পাবে ৪২ মিলিয়ন ডলার

৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৪৩ AM
টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণ © সংগৃহীত

সুনামগঞ্জের ছাতকে টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণের মামলায় কানাডিয়ান কোম্পানি নাইকো রিসোর্সকে ৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার জরিমানা করে বাংলাদেশের পক্ষে রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক আদালত।

২০০৫ সালে সংঘটিত ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় ওই অর্থ বাংলাদেশকে প্রদানের নির্দেশনা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (ইকসিড) ট্রাইব্যুনাল। বৃহস্পতিবার পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজানুর রহমান ইকসিডের রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, 'সম্ভবত ৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাংলাদেশকে দিতে বলা হয়েছে।'

পেট্রোবাংলার একটি সূত্র জানিয়েছে, ৮ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস নষ্টের দায় বাবদ ৪০ মিলিয়ন ডলার এবং পরিবেশসহ অন্যান্য ক্ষতিসাধনের জন্য ২ মিলিয়ন ডলার মিলে প্রায় ৪২ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫১৬ কোটি টাকা (১ ডলার ১২৩ টাকা ধরে)। ট্রাইব্যুনালে গ্যাসের ক্ষতি বাবদ ১১৮ মিলিয়ন এবং রাষ্ট্রের ক্ষতি বাবদ ৮৯৬ মিলিয়ন ডলারের একটি হিসাব দিয়েছিল বাংলাদেশ, যার সঙ্গে পরিবেশগত ও স্বাস্থ্যগত ক্ষতির হিসাব যোগের আবেদন ছিল।

নাইকো কর্তৃক অনুসন্ধান কূপ খননকালে ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি ও ২৪ জুন দুই দফা মারাত্মক বিস্ফোরণ ঘটে। বিষয়টি বাংলাদেশের আদালত হয়ে আন্তর্জাতিক আদালত ইকসিডে গড়ালে ২০২০ সালে নাইকোকে দায়ী করা হয় এবং সেই প্রেক্ষিতে গত মাসে এই আদেশ দিয়েছে ইকসিড। এর আগে গ্যাস ফিল্ডে বিস্ফোরণের কারণে মজুদ গ্যাস পুড়ে যাওয়া ও সম্পদের ক্ষতির জন্য নাইকোর কাছে ৭৪৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করলে তারা অস্বীকৃতি জানায়। এ কারণে ২০০৭ সালে স্থানীয় নিম্ন আদালতে মামলা দায়ের এবং নাইকোর ফেনী ফিল্ডের গ্যাসের বিল প্রদান বন্ধ করে দেয় পেট্রোবাংলা।

পরবর্তীতে হাইকোর্ট বাংলাদেশে থাকা নাইকোর সকল সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও সম্পাদিত চুক্তি বাতিলের আদেশ দিলে নাইকো সুপ্রিম কোর্টে যায়, সেখানেও রায় বাংলাদেশের পক্ষে আসে। অন্যদিকে আটকে রাখা গ্যাস বিল এবং ক্ষতিপূরণ না দেওয়ার জন্য ২০১০ সালে ইকসিডে দুটি মামলা করে নাইকো। ২০১৪ সালে এক রায়ে ইকসিড পেট্রোবাংলাকে ফেনী গ্যাসক্ষেত্রের পাওনা পরিশোধ করতে বলেছিল।

ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি ফিল্ডটির অবশিষ্ট মজুদ গ্যাস উত্তোলন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত জরুরি। ১৯৫৯ সালে আবিষ্কৃত এই গ্যাসক্ষেত্রটিতে ১০৯০ মিটার থেকে ১৯৭৫ মিটারের মধ্যে নয়টি গ্যাস স্তর রয়েছে। ২৬ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করার পর পানি আসতে শুরু করায় কূপটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ২০০৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি গ্যাসক্ষেত্রটি নাইকোর হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং তাদের অনুসন্ধান কূপ খননকালেই ওই মারাত্মক বিস্ফোরণ ঘটে।

হান্টা ভাইরাস কী, কীভাবে ছড়ায় ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যা ব…
  • ০৮ মে ২০২৬
পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে আছেন যারা
  • ০৮ মে ২০২৬
আবারও বাড়লো তেলের দাম
  • ০৮ মে ২০২৬
মানিকছড়িতে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক
  • ০৮ মে ২০২৬
বায়ু দূষণে শীর্ষে ঢাকা, দ্বিতীয়-তৃতীয় স্থানে কারা
  • ০৮ মে ২০২৬
রিয়াল মাদ্রিদের ড্রেসিংরুমে সংঘর্ষ, মাথায় চোট পেয়ে হাসপাতাল…
  • ০৮ মে ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SUMMER 2026
Application Deadline Wednesday, May 13, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9