সময় ১২০ মিনিট, প্রশ্ন ২০০

প্রিলির প্রস্তুতি ভালো কিংবা খারাপ হোক, গেম চেঞ্জার পরীক্ষার হল

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৭:৫৪ PM
পরীক্ষার হল

পরীক্ষার হল © সংগৃহীত

সাবিনা ইয়াছমিন স্বর্ণা। ৪৪তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তার মেধাক্রম ৪৩। এর আগে, তিনি ৪৩তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে গেজেটভুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি শেরপুর সরকারি কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি ৪১তম বিসিএস থেকে শুরু করে টানা ৫টি বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের পাঠকদের জন্য সাবিনা ইয়াছমিন স্বর্ণা বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার কৌশল তুলে ধরেছেন; যেখানে পরীক্ষার ২ ঘণ্টা কীভাবে পার করবেন একজন পরীক্ষার্থী।

পরীক্ষার হলের কৌশল সম্পর্কে স্বর্ণা বলেন, যত ভালো কিংবা খারাপ প্রস্তুতি নেওয়া হোক না কেন পরীক্ষার হল হচ্ছে গেম চেঞ্জার। পরীক্ষার হলে মাথা ঠান্ডা রেখে উত্তর না করতে পারলে অতি ভালো প্রিপারেশন নিয়েও লাভ নেই। পরীক্ষার হলে প্রশ্ন পাবার পর আমি কখনোই সব প্রশ্ন আগেই পড়তাম না। শুরুতেই সেট নম্বর আর কোন সাবজেক্ট দিয়ে প্রশ্ন শুরু হয়েছে এবং কোন সাবজেক্টের পর কোন সাবজেক্ট এসেছে তা দেখে নিতাম। শুরুতেই গণিত থাকলে তা বাদ দিয়ে টানা উত্তর করে যেতাম। আর গণিত না থাকলে এক নম্বর থেকে উত্তর করা শুরু করতাম।

তিনি বলেন, যে প্রশ্ন দেখলে মনে হতো কোনোদিন দেখিনি এবং পারবও না সেটার ওপর ছোট করে ক্রস দিয়ে রাখতাম যাতে পরেরবার এই প্রশ্ন নিয়ে আর সময় নষ্ট না করতে হয়। আর যেগুলো নিয়ে কনফিউশান থাকতো সেটার উপর গোল চিহ্ন দিয়ে রাখতাম। এতে পরেরবার সহজে বুঝতে পারতাম কোন প্রশ্ন স্কিপ করতে হবে আর কোন প্রশ্নের উত্তর করতে হবে। প্রথম বার মার্ক করার পর একবার উত্তরপত্রে গুণে দেখতাম মোট কতটি প্রশ্ন শিওর উত্তর করতে পেরেছি। এরপর গোল মার্ক করা কনফিউশানগুলো আবার পড়তাম। সেখান থেকে রিস্ক নিয়ে আরও কিছু মার্ক করতাম। পরীক্ষার হলে আমি খুব ঠান্ডা মাথায় পরীক্ষা দিতাম। 

গণিত ও মানসিক দক্ষতা বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এই দুটি বিষয় আমি সবশেষে উত্তর করতাম। মানসিক দক্ষতা মোটামুটি সহজ হয় তাই ইজিলি ১২/১৩ নম্বর পাওয়া যায়। আর গণিত অংশ সহজ হলে গণিতে এভারেজ যারা তারাও ৮/১০ পেয়ে যায়। আর্টসের স্টুডেন্ট হওয়ায় কঠিন টপিক গুলো আগেই বাদ দিয়ে দিতাম। গণিত নিয়ে প্যানিক করতাম না। যা পারতাম তাই করতাম।’

স্বর্ণা বলেন, ‘একেকজনের পড়ার ধরন একেকরকম। আমি কখনো লাইব্রেরিতে গিয়ে পড়াশোনা করিনি। সবাইকে এতো সিরিয়াস পড়াশোনা করতে দেখলে আমার সাফোকেশন লাগতো। মনে হতো সবাই এতো পারে আর আমিই কিছু পারি না। পড়ার মাঝখানে আমি ছোট ব্রেক নিতাম। গান শুনতে খুব পছন্দ করতাম, তাই রিলাক্সের জন্য গান শুনতাম। আর আমার কমফোর্টেবল হয়ে পড়াশোনা করতে ভালো লাগত, তাই কখনো অতিরিক্ত চিন্তা করতাম না। বিসিএস এর বাইরে চিন্তা করিনি কোনোকিছুর। তাই শুধু বিসিএসের প্রিপারেশনই নিয়েছি, যার জন্য ডিস্ট্র্যাক্ট কম হয়েছি। কারণ আমি নিজেকে চিনতাম যে একই সাথে বিভিন্ন রকম চাকরির প্রিপারেশন নেওয়া আমার জন্য সম্ভব না। এতে কোনটার প্রিপারেশনই ভালোভাবে নিতে পারবো না। আলহামদুলিল্লাহ, আমি আমার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পেরেছি।’ 

এবার দানবাক্স নিয়ে আলোচনায় ‘ভাইরাল সিদ্দিক’
  • ২৩ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক থেকে পদত্যাগ করছেন তু…
  • ২৩ মে ২০২৬
নাসীরুদ্দীনসহ নেতাকর্মীদের থানায় অবরুদ্ধ করে বিএনপির বিক্ষো…
  • ২২ মে ২০২৬
নাসীরুদ্দীনের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রদলের ৮ নেতার নামে মামলা
  • ২২ মে ২০২৬
প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির এমবিএ প্রোগ্রাম: দক্ষতা, দৃষ্টিভ…
  • ২২ মে ২০২৬
খেলতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ হারাল মাদ্রাসাছাত্র ইয়ামিন
  • ২২ মে ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
21 June, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081