চাইলেই কি দ্বিতীয় বিবাহ করতে পারবে—কী বলছে ইসলাম

০৮ মে ২০২৬, ০৩:২৩ PM , আপডেট: ০৮ মে ২০২৬, ০৬:৫৫ PM
বিবাহের প্রতীকী ছবি

বিবাহের প্রতীকী ছবি © সংগৃহীত

ইসলামি শরিয়তে পুরুষদের জন্য বিশেষ প্রয়োজনে একাধিক বিবাহের অনুমতি থাকলেও এটি নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে নানাবিধ ধারণা প্রচলিত রয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন বিশিষ্ট আলেম মাওলানা মাহবুবুর রাহমান।  দ্বিতীয় বিবাহের শর্ত ও দায়বদ্ধতার ওপর গুরুত্বারোপ করে ইসলামের সঠিক দিকনির্দেশনা তুলে ধরেছেন।

মাওলানা মাহবুবুর রাহমান বলেন, ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী একজন পুরুষ বিশেষ কিছু শরয়ি শর্ত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ চারজন স্ত্রী রাখতে পারেন। তবে চাইলেই হুট করে দ্বিতীয় বিবাহ করা ইসলামে অনুমোদিত নয় এর পেছনে বেশ কিছু  নিয়ম ও  মানতে হবে

একাধিক বিবাহের শর্তসমুহ সম্পর্কে জানতে চাইলে  মাওলানা মাহবুবুর রাহমান জানান, কুরআনের সুরা নিসায় স্ত্রীর ন্যায়বিচার বা সমতা রক্ষার ওপর কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, যদি কেউ একাধিক বিবাহ করে, তবে তাকে অবশ্যই সকল স্ত্রীর মধ্যে পূর্ণ সমতা ও ন্যায়বিচার বজায় রাখতে হবে। এক্ষেত্রে ভরণপোষণ, আলাদা বাসস্থান এবং সময়ের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক।  যদি কেউ সমতা রক্ষা করতে পারবে না বলে আশঙ্কা করে, তবে ইসলামের নির্দেশ হলো একটি বিবাহেই সীমাবদ্ধ থাকা।

আর্থিক ও শারীরিক সক্ষমতার বিষয়ে তিনি বলেন, দ্বিতীয় বিবাহের ক্ষেত্রে স্বামীর পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্য থাকা জরুরি। প্রথম স্ত্রীর ভরণপোষণ ঠিক রেখে দ্বিতীয় পরিবারের সমস্ত খরচ বহন করার সামর্থ্য না থাকলে দ্বিতীয় বিবাহ করা উচিত নয়। পাশাপাশি স্বামীর শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা থাকা প্রয়োজন যাতে তিনি উভয় স্ত্রীর অধিকার ও চাহিদা যথাযথভাবে পূরণ করতে পারেন।

প্রথম স্ত্রীর অনুমতির প্রেক্ষিত আলোচনা করতে গিয়ে তিনি ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় আইনের সমন্বয় টেনে বলেন, ইসলামে দ্বিতীয় বিবাহের জন্য প্রথম স্ত্রীর অনুমতি গ্রহণ করাকে বাধ্যতামূলক শর্ত করা না হলেও এটি  নৈতিক ও পারিবারিক শিষ্টাচার। সংসারে শান্তি বজায় রাখার জন্য স্ত্রীকে জানানো এবং তার মানসিক অবস্থার মূল্যায়ন করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও মনে বলেন যে, বাংলাদেশ মুসলিম পারিবারিক আইন  অনুযায়ী সালিশি বৈঠকের মাধ্যমে অনুমতি গ্রহণ একটি আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

সবশেষে বিবাহের উদ্দেশ্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বিবাহ কেবল শারীরিক লালসা মেটানোর মাধ্যম হওয়া উচিত নয়। কোনো বিধবা বা এতিমকে আশ্রয় দেওয়া বা বৈধ কোনো বিশেষ প্রয়োজনে বিবাহ করার অনুমতি দিয়েছে ইসলাম। তিনি আরো বলেন, যদি কেউ স্ত্রীদের মধ্যে ইনসাফ বা ন্যায়বিচার করতে না পারে, তবে কিয়ামতের দিন তাকে জবাবদিহিতার সম্মুখীন হতে হবে। তাই আবেগের বশবর্তী হয়ে নয়, বরং নিজের সামর্থ্য এবং ইনসাফের সক্ষমতা বিচার করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

ঢাকা কলেজে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের গরু ভোজ কাল
  • ১৮ জুলাই ২০২৬
দুপুরে চুরির দায়ে ১০০ রাকাত নামাজ পড়াল গ্রামবাসী, রাতে মাদক…
  • ১৮ জুলাই ২০২৬
ইতোমধ্যেই নিশ্চিত ৫৪৬ কোটি টাকা, ফাইনাল জিতলে কত পাবেন মেস…
  • ১৮ জুলাই ২০২৬
গণপরিবহনে যুক্ত হবে ১ হাজার ৪০০ বৈদ্যুতিক বাস
  • ১৮ জুলাই ২০২৬
ফাইনালের আগে বড় দুঃসংবাদ দিলেন মার্তিনেজ
  • ১৮ জুলাই ২০২৬
বরগুনায় ইসমাইল শাহ’র মাজারে ফের অগ্নিসংযোগের অভিযোগ
  • ১৮ জুলাই ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • JULY 26, 2026
  • Admission Test
  • AUGUST 01, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
FALL 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence