অটিজম সচেতনতা দিবসের সেমিনার

উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে অটিজম, গর্ভাবস্থাতেই মা ও অনাগত সন্তানের যত্ন নিতে হবে

০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৪ PM
বিএমইউর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অটিজম আক্রান্ত শিশুরা

বিএমইউর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অটিজম আক্রান্ত শিশুরা © সংগৃহীত

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) র‌্যালি, সেমিনার, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ নানা আয়োজনে উদযাপিত হল ১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস। আজ বৃস্পতিবার (২ এপ্রিল) ‘অটিজম ও মানবতা—প্রতিটি জীবনেরই মূল্য আছে’— এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে দিবসটি উদযাপিত হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বিশ্বে আগে যেখানে শতকরা ১.৭ জন শিশু অটিজমে আক্রান্ত ছিল বর্তমানে এই সংখ্যা তিনজনে উন্নীত হয়েছে। তাই এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। এ ছাড়া ২০১৪ সালের এক পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছিল বাংলাদেশে প্রতি দশ হাজারে ১৭ জন শিশু অটিজমে আক্রান্ত।

এ সময় বক্তারা গর্ভবতী অবস্থাতেই মা ও অনাগত নবজাতকের যত্ন এবং চিকিৎসার ওপর গুরুত্ব দেন। আগেভাগে রোগ নিণর্য়, সঠিক ব্যবস্থাপনা, শিশুদের মানসিক বিকাশে সহায়তা, অটিজম আক্রান্তদের শিক্ষা ও সামাজিকভাবে পুনর্বাসন, অভিভাবকদের সচেতনা বৃদ্ধি শিশুদের একাকিত্ব দূরীকরণ, গণমাধ্যমের প্রচার প্রচারণামূলক কার্যক্রম ইত্যাদি জোরদারের তাগিদ দেন তারা।

tdc (2)
দিবসটি উপলক্ষে বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়

জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত এই দিনটি এই কথা স্মরণ করিয়ে দেয় যে, শুধু সচেতনতা নয় আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত স্বীকৃতি, অন্তর্ভুক্তি এবং বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ। ২০২৬ সালের এই প্রতিপাদ্যে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে নিউরো-ইনক্লুসিভ (সবার জন্য গ্রহণযোগ্য) পরিবেশ গড়ে তোলার, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং কর্মক্ষেত্রে। অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিরা যেন সম্মান, অধিকার এবং সমান সুযোগ পায়, সেটিই এই দিনের মূল বার্তা। বিশ্বজুড়ে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে এই দিনে সচেতনতা বৃদ্ধি, বৈষম্য দূরীকরণ এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

tdc (9)

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব কর্মসূচিতে বিএমইউর প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, ইনস্টিটিউট অব প্যাডিয়াট্রিক নিউরো ডিজঅর্ডার অ্যান্ড অটিজমের (ইপনা) পরিচালক অধ্যাপক ডা. সৈয়দা তাবাসসুম আলম, শিশু নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. কানিজ ফাতেমা, শিশু নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. গোপেন কুমার কুন্ডু, সহযোগী অধ্যাপক ডা. আশরাফুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক ডা. বিকাশ চন্দ্র পাল, ডা. সানজিদা আহমেদ, ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিদ্যালয়টি ফিরল শিক্ষামন্ত্রীর নামে
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩২ হাজার ৩৩২ মেগাওয়াট
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে করতে এমপির বক্তব্যের সময় শেষ
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
সুশাসন নিশ্চিতে নিরপেক্ষ প্রশাসনের বিকল্প নেই
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
চীনের পিকিং ইউনিভার্সিটিতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন সরকারি…
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬
এনএসইউতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা স…
  • ০২ এপ্রিল ২০২৬