আঁচল ফাউন্ডেশনের লোগো © সংগৃহীত
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অনেক মেধাবী ও সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার পরও মানসিক সংকটে ভুগছে—এটি দেশের জন্য উদ্বেগজনক পরিস্থিতি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ সায়েদুল ইসলাম সাঈদ।
শনিবার (৩০ আগস্ট) আঁচল ফাউন্ডেশন আয়োজিত এক জুম মিটিংয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রশ্ন হলো কেন একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হতাশাগ্রস্ত হয়? অথচ তাদের সামনে তো অনেক বড় ক্যারিয়ার অপেক্ষা করছে।’
মানসিক হতাশা ও উদ্বেগ কতটা ভয়াবহ হতে পারে, সে প্রসঙ্গে তিনি উদাহরণ টানেন বরিশাল মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সজীব এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাইরুজ অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনা। দুজনই মৃত্যুর আগে তাদের সুইসাইড নোটে মানসিক যন্ত্রণা ও হতাশার কথা লিখে গিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন: কর্ণফুলী টানেল এখন অলাভজনক: চসিক মেয়র
সায়েদুল ইসলাম সাঈদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক সময় শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের আচরণে বৈষম্যের শিকার হয়, আবার অনেককে বুলিংয়েরও শিকার হতে হয়। অথচ মানসিক আঘাতের প্রভাব অনেক গভীর, যা সহজে দৃশ্যমান না হলেও শিক্ষার্থীদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলে।
তিনি আরও বলেন, ‘শ্রেণীকক্ষে শিক্ষকদের উচিত শিক্ষার্থীদের কথার আঘাত বা বুলিং থেকে বিরত থাকা। বরং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে শিক্ষা দেওয়া উচিত, যাতে শিক্ষার্থীরা সহজে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। শিক্ষার্থীদের চোখে যেন পানি না আসে, সেটি খেয়াল রাখতে হবে। কারণ জীবন কখনো বেড অব রোজ নয়—এটি মনে রাখা জরুরি।’