আজও চক্ষু বিজ্ঞান হাসপাতালে চলছে কর্মবিরতি, ভোগান্তিতে রোগীরা 

২৯ মে ২০২৫, ০৫:৪৯ PM , আপডেট: ২৯ মে ২০২৫, ০৭:১৮ PM
জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল © সংগৃহীত

জীবনের  নিরাপত্তা চেয়ে কর্মবিরতি পালন করেছেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে এই কর্মসূচি। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগীরা। চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে তাদের।  

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রাহেলা বেগম জানান, সকালে বৃষ্টির মধ্যে চোখ পরীক্ষা করতে আসেন তিনি। তবে গেট দিয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। কর্তব্যরত নিরাপত্তার সদস্যরা তাকে জানিয়েছেন, কর্মবিরতির কারণে হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ আছে।

কর্মচারীদের দাবি, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডা. খায়ের আহমেদ চৌধুরীকে অবরুদ্ধ করে গায়ে কেরোসিন ও পেট্রোল ঢেলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন জুলাই আহতদের কয়েকজন। এ ছাড়া তারা হাসপাতালে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছেন। এতে হাসপাতালের চিকিৎসক কর্মচারীসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তারা।

হাসপাতালের কর্মচারী আশরাফুল আলম বলেন, বুধবারের (২৮ মে) সংঘর্ষের পর বৃহস্পতিবার চিকিৎসক, নার্স, কর্মচারীদের কেউ হাসপাতালে যাননি। এ কারণে কোনো কার্যক্রম চলছে না।

তিনি আরও বলেন, জুলাই আহতরা গতকাল আমাদের ডাক্তার- স্টাফদের মেরেছে, যারা গত ১১ মাস ধরে তাদের চিকিৎসা দিয়েছে। রড, লাঠি, সবকিছুই তাদের কাছে রেডি থাকে।  ওপর থেকে নির্দেশ না আসা পর্যন্ত আমরা কাজে ফিরব না।

সেলিনা বেগম নামে হাসপাতালের একজন সিনিয়র স্টাফ নার্স বলেন, তিনিসহ কয়েকজন নার্স সকালে হাসপাতালে গিয়েছিলেন, তবে ফটক বন্ধ থাকায় ফেরত চলে এসেছেন।

এ বিষয়ে হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. জানে আলম বলেন, হাসপাতাল বন্ধ, কোনো কার্যক্রম চলছে না। এর বেশি তথ্য দিতে পারব না। 

নরসিংদীতে ছাত্রশিবিরের গণইফতার, অংশ নিলেন ১ হাজার শিক্ষার্থী
  • ১১ মার্চ ২০২৬
আজ ইরানে 'সবচেয়ে শক্তিশালী' হামলা হবে: মার্কিন প্রতিরক্ষাম…
  • ১১ মার্চ ২০২৬
পবিপ্রবিতে উপাচার্যের অনুমোদন ব্যতীত চিঠি ইস্যু, রেজিস্ট্রা…
  • ১০ মার্চ ২০২৬
ইরান যুদ্ধ রাশিয়ার যুদ্ধকালীন অর্থনীতির জন্য আশীর্বাদ
  • ১০ মার্চ ২০২৬
সিনা টান করে বলবেন 'বাড়ি টুঙ্গিপাড়া': এমপি জিলানী
  • ১০ মার্চ ২০২৬
জ্বালানি তেল পাচার রোধে সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারি
  • ১০ মার্চ ২০২৬
close