অফিসে-বাড়িতে এসি ছাড়া থাকতে পারেন না, ক্ষতি এড়াতে যে বিষয়ে জানতেই হবে

২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪১ AM
অফিসে বা বাসায় মাত্রাতিরিক্ত এসি চালালে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে

অফিসে বা বাসায় মাত্রাতিরিক্ত এসি চালালে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে © এআই সৃষ্ট ছবি

দিন যতই যাচ্ছে, বাড়ছে তীব্র গরম। অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে জনজীবন। এ ভ্যাপসা গরমে অনেকের কাছেই স্বস্তির ভরসা এখন এসি। ঘরে কিংবা অফিসে সামর্থ্যবানদের সবজায়গায় রয়েছে গরম থেকে বাঁচার এ যন্ত্র। অনেকে গরম থেকে মুক্তি পেতে দিনের বেশিরভাগ সময়ই থাকেন এসিতে। কিন্তু এ আরামের আড়ালে লুকিয়ে আছে নীরব স্বাস্থ্যঝুঁকি। বিশেষ করে ফুসফুসের জন্য। দীর্ঘক্ষণ এসিতে থাকার ফলে শ্বাসযন্ত্রের ওপর পড়ছে নেতিবাচক প্রভাব।

চিকিৎসকদের মতে, টানা এসি-নির্ভর জীবনযাপন ফুসফুসের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতাকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে দিতে পারে। এর প্রধান কারণ বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়া। সাধারণভাবে ঘরের সঠিক আর্দ্রতা ৪০ শতাংশ থেকে ৬০ শতাংশ হওয়া উচিত। কিন্তু এসি চললে তা অনেক সময় ২০ শতাংশের কাছাকাছি নেমে আসে। এ অতিরিক্ত শুষ্ক পরিবেশ নাক ও শ্বাসনালীর ভেতরের মিউকাস স্তর শুকিয়ে দেয়, যা আমাদের শরীরের প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর হিসেবে কাজ করে।

ফলে সহজেই ভাইরাস, ধুলিকণা ও দূষণ শরীরে প্রবেশ করতে পারে। শুরু হয় হাঁচি, কাশি, অ্যালার্জি অনেক ক্ষেত্রে দেখা দেয় ‘সামার কোল্ড’। যাঁদের আগে থেকেই সাইনাস, হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

তাহলে এসির মধ্যে থাকা যাবে না? 
অবশ্যই তীব্র এ গরমে এসি ছাড়া এখন থাকা কষ্টকর। এসিতে থাকতে অসুবিধা নেই, যদি সচেতনভাবে তা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

আর্দ্রতা ঠিক রাখা
এসি ব্যবহার করলেও ঘরের আর্দ্রতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এর জন্য হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন। এ যন্ত্র বাতাসে প্রয়োজনীয় জলীয় বাষ্প যোগ করে, ফলে শ্বাসনালী শুকিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে। বিশেষ করে দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য এটি বেশ কার্যকর। সহজ উপায় হিসেবে ঘরে পানিভর্তি পাত্র রাখা বা ভেজা কাপড় ঝুলিয়ে রাখাও কিছুটা আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে আসছে বৃষ্টি বলয় ‘ঝুমুল’, প্রভাব শুরু কবে?

পরিষ্কার এসি ব্যবহার
শুধু এসি ব্যবহার করলেই হবে না, সেটিকে পরিষ্কার রাখাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এসির ফিল্টারে ধুলো, ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক জমে থাকে। নিয়মিত পরিষ্কার না করলে এগুলো বাতাসের সঙ্গে মিশে সরাসরি আমাদের শ্বাসনালীতে ঢুকে পড়ে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, অন্তত মাসে একবার ফিল্টার পরিষ্কার করা, ৩ থেকে ৬ মাস অন্তর সার্ভিসিং করানো, বেশি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও ঘন ঘন চেক করা জরুরি।

ঘর সবুজ রাখা
ঘরের বাতাসকে প্রাকৃতিকভাবে পরিশুদ্ধ রাখতে ইনডোর প্ল্যান্ট দারুণ কার্যকর। স্নেক প্ল্যান্ট, এরিকা পাম, পিস লিলির মতো গাছ বাতাসের টক্সিন কমাতে সাহায্য করে এবং পরিবেশকে কিছুটা আর্দ্র রাখে। এতে এসির কৃত্রিম ঠান্ডার মধ্যেও তৈরি হয় সতেজ অনুভূতি। (সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন)

ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ, পাঁচ ঘণ্টা পর শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর মরদে…
  • ১৫ মে ২০২৬
কুবিতে নতুন উপাচার্য যোগদানের রাতেই হল প্রভোস্টের নেমপ্লেট …
  • ১৫ মে ২০২৬
গণঅধিকারে যোগ দিচ্ছেন এনসিপিসহ বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা
  • ১৫ মে ২০২৬
প্রাথমিকের শিক্ষার্থীর  ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
  • ১৫ মে ২০২৬
অনার্সের খাতা পুনঃমূল্যায়নে প্রতি পত্রে ১২০০ টাকা ফি, শিক্ষ…
  • ১৫ মে ২০২৬
মায়েদের শরীরে পুষ্টির অভাব, ব্রেস্টফিডিংও কম হচ্ছে
  • ১৫ মে ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
21 June, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081