নাক ডাকার সমস্যা নিয়ন্ত্রণে ‘কার্যকর’ উপায়

০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৫৮ AM
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি © টিডিসি ফটো

নাক ডাকা শুধু অতিরিক্ত ক্লান্তির ফল—এমনটা ভাবা ঠিক নয়। অনেকেই রাতের নাক ডাকাকে তুচ্ছ উপদ্রব হিসেবে এড়িয়ে যান, কিন্তু শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্যের দিক থেকে এটি ভেতরে লুকিয়ে থাকা কোনো জটিল সমস্যার ইঙ্গিতও হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে নাক ডাকার সমস্যা চলতে থাকলে ঘুমের মান নষ্ট হয়, রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যেতে পারে এবং এর প্রভাব পড়ে সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ক্রমাগত জোরে নাক ডাকা অবস্ট্রাক্টিভ স্লিপ অ্যাপনিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকে। এ অবস্থায় ঘুমের মধ্যে শ্বাস সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং আবার নাক ডাকার মাধ্যমে শ্বাস ফিরে আসে। এতে গভীর ও আরামদায়ক ঘুম ব্যাহত হয় এবং হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসসহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে অতিরিক্ত চাপ পড়ে। নাক ডাকার কারণ ও নিয়ন্ত্রণের উপায় জানা তাই জরুরি।

ঘুমের সময় গলা ও নাকের ভেতর দিয়ে বাতাস চলাচলের পথ আংশিকভাবে বাধাগ্রস্ত হলে নাক ডাকার শব্দ তৈরি হয়। এতে আশপাশের টিস্যু কাঁপতে থাকে। নাক বন্ধ থাকা, টনসিল ফোলা, জিহ্বা অতিরিক্ত শিথিল হয়ে যাওয়া কিংবা ঘাড়ের চারপাশে নরম টিস্যু বেশি হয়ে গেলে শ্বাসনালী সংকুচিত হয়—বিশেষ করে গভীর ঘুমের সময়। দীর্ঘদিন রাতে অক্সিজেনের ঘাটতি থাকলে তা উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস এবং দিনের বেলায় দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তির কারণ হতে পারে।

নাক ডাকা নিয়ন্ত্রণের উপায়

ঝুঁকির লক্ষণ চিহ্নিত করা
নাক ডাকা তখনই বেশি উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে, যখন এর সঙ্গে দম আটকে আসা, হাঁপ ধরা বা শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। ঘুম থেকে ওঠার পর মাথাব্যথা, মুখ শুকিয়ে থাকা কিংবা দিনের বেলায় অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব—এসবই ইঙ্গিত দেয় যে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা
স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ঘাড় ও উপরের শ্বাসনালীতে অতিরিক্ত চর্বি জমলে ঘুমের সময় শ্বাসনালী ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। অনেক ক্ষেত্রে সামান্য ওজন কমালেই নাক ডাকার তীব্রতা কমে আসে।

ঘুমের ভঙ্গি ঠিক রাখা
সঠিক ঘুমের ভঙ্গি শ্বাসনালী খোলা রাখতে সহায়ক। চিৎ হয়ে শুলে জিহ্বা ও নরম তালু পেছনের দিকে হেলে পড়ে শ্বাসনালী সংকুচিত করতে পারে। এর বিপরীতে, পাশ ফিরে ঘুমালে শ্বাসনালী তুলনামূলকভাবে খোলা থাকে।

নিয়মিত ঘুমের রুটিন মেনে চলা
নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো ও ওঠার অভ্যাস শ্বাসনালীর পেশীর স্বাভাবিক টান বজায় রাখতে সাহায্য করে। অনিয়মিত ঘুম ও ঘুমের ঘাটতির কারণে গলার পেশী অতিরিক্ত শিথিল হয়ে পড়ে, যা নাক ডাকার প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়।

নাক বন্ধের সমস্যা সমাধান
নাক বন্ধ থাকলে মানুষ মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে বাধ্য হয়, যা নাক ডাকার অন্যতম কারণ। অ্যালার্জি, সাইনাসের সমস্যা কিংবা সর্দি-কাশির কারণে জমে থাকা কফ—এসব সমস্যার সঠিক চিকিৎসা নাক ডাকা কমাতে সহায়ক হতে পারে।

এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণের তারিখ ঘোষণা
  • ২২ মার্চ ২০২৬
কাতারের জলসীমায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, চলছে উদ্ধার অভিযান
  • ২২ মার্চ ২০২৬
টানা পাঁচ দিনের বজ্রসহ শিলাবৃষ্টির পূর্বাভাস, আছে যেসব জেলা
  • ২২ মার্চ ২০২৬
জিয়া উদ্যানে তরুণের আত্মহত্যার চেষ্টা
  • ২২ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় ৮০ কোটি ডলারের ক্ষয়ক্ষ…
  • ২২ মার্চ ২০২৬
সুদানে হাসপাতালে হামলায় নিহত ৬৪
  • ২২ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence