এড়িয়ে চলবেন যেসব খাবার © সংগৃহীত
রমজানে দীর্ঘ সময় না খেয়ে রোজা রাখার কারণে শরীর স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই ইফতার ও সেহরিতে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ না করলে সারাদিন রোজা রাখা কষ্টকর হয়ে উঠতে পারে এবং বিভিন্ন শারীরিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রমজানে সুস্থতা অনেকাংশে নির্ভর করে সেহরি ও ইফতারের সুষম খাদ্যের ওপর।
অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার, কম পানি পান এবং আঁশযুক্ত খাবারের অভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। নিয়মিত চা, কফি বা ধূমপানে অভ্যস্তরা রোজায় মাথাব্যথায় ভুগতে পারেন। পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ না করলে লো ব্লাড প্রেসার, দুর্বলতা ও মাথা ঘোরার ঝুঁকি বাড়ে। পাশাপাশি তেল-মসলাযুক্ত খাবার, কফি ও সফট ড্রিঙ্কস বেশি খেলে গ্যাস্ট্রিক, বুকজ্বালা, পেপটিক আলসার ও এসিডিটির সমস্যা দেখা দিতে পারে।
তাই রমজানে অতিরিক্ত চা-কফি এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ ক্যাফেইন শরীরে পানিশূন্যতা বাড়ায়। ধূমপান থেকে বিরত থাকা জরুরি। ইফতার ও সেহরিতে অতিরিক্ত তেলে ভাজা ও ভারী খাবার যেমন পোলাও-বিরিয়ানি নিয়মিত না খাওয়াই ভালো। সোডা ও কৃত্রিম চিনি-সমৃদ্ধ পানীয় পরিহার করা উচিত। সেহরিতে ভরপেট না খেয়ে পরিমিত খাবার গ্রহণ করা এবং ইফতারে খালি পেটে একবারে অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পান না করাই উত্তম।
রোজায় সুস্থ থাকতে পরিমিত, সুষম ও সহজপাচ্য খাবার বেছে নেওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং ফল ও আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণের অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। এই কয়েকটি সচেতনতা আপনাকে পুরো রমজানজুড়ে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সহায়তা করবে।