প্রতীকী ছবি © সংগৃহীত
অনেকেই বয়স ও উচ্চতার তুলনায় শরীরের ওজন কম থাকার কারণে নানা রকম সামাজিক বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। অনেকে হীনমন্যতায় ভোগেন, আবার অনেকে সহজেই দুর্বল হয়ে পড়েন। তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। যদি স্বাস্থ্যগত কোনো জটিলতা না থাকে, তাহলে নিয়মিত কিছু পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করে সহজেই ওজন বাড়ানো সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক সময় হাইপারথাইরয়েডিজম, ডায়াবেটিস বা হজমের সমস্যার কারণে ওজন না বাড়ার ঘটনা ঘটে। তবে এসব সমস্যা না থাকলে খাদ্যতালিকায় কিছু পরিবর্তন আনলেই স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন বাড়ানো সম্ভব। নিচে এমন ৭টি খাবারের তালিকা দেওয়া হলো, যা প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় রাখলে উপকার পাওয়া যাবে—
ডিম
প্রতিদিন তিন থেকে চারটি সেদ্ধ ডিম খাওয়া যেতে পারে। এতে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রোটিন, চর্বি ও ক্যালরি—যা শরীরে শক্তি জোগায় ও ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। সেদ্ধ ডিমে একঘেয়েমি লাগলে মাঝে মাঝে ভাজা ডিমও খাওয়া যেতে পারে।
আরও পড়ুন: ১৯তম নিবন্ধনে কম নম্বর পাওয়া প্রার্থীদের চাকরি হওয়ার সম্ভাবনা কম
ভাতের মাড়
ভাতের মাড় এক প্রাকৃতিক শক্তির উৎস। ভাত ছেঁকে নেওয়ার পর মাড়টুকু সংরক্ষণ করে হালকা লবণ মিশিয়ে পান করলে তা ওজন বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।
শুকনো ফল
কাজুবাদাম, কিশমিশ, খেজুর, আমণ্ড—এসব শুকনো ফলে রয়েছে প্রচুর ক্যালরি ও পুষ্টি উপাদান। প্রতিদিন সকালে ১০–১২টি শুকনো ফল খেলে দ্রুত ওজন বাড়ানো সম্ভব।
পিনাট বাটার
উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার হিসেবে পিনাট বাটার বেশ কার্যকর। পাউরুটি বা বিস্কুটের সঙ্গে প্রতিদিন খানিকটা পিনাট বাটার খাওয়া যেতে পারে। শিশুদের ওজন বাড়াতেও এটি কার্যকর।
তাজা ফল
কলার মতো মিষ্টি ফল ওজন বাড়াতে দারুণ কার্যকর। আপেল, আঙুর, নাশপাতি ইত্যাদি ফল প্রতিদিন সকালে খেলে শরীরের ক্যালরির চাহিদা পূরণ হয় এবং ওজন বাড়তে শুরু করে।
আলু
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সেদ্ধ আলু রাখা যেতে পারে। এতে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট ও কমপ্লেক্স সুগার, যা দ্রুত ওজন বাড়াতে সহায়তা করে। চাইলে ভাজা আলুর চিপসও মাঝে মাঝে খাওয়া যেতে পারে।
সবজি ও ডাল
সবজি ও ডালও ওজন বাড়াতে কার্যকর। বিশেষ করে আলু, গাজর, শিম জাতীয় সবজি এবং বিভিন্ন ধরনের ডাল শরীরে পুষ্টি জোগায় ও ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।