‘সর্বাত্মক লকডাউন’ যেমন হবে

০৯ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৪২ PM

© ফাইল ফটো

করোনা সংক্রমণ রোধে চলতি মাসের দ্বিতীয় লকডাউনে জরুরি সেবা ছাড়া জরুরি সেবা ছাড়া সরকারি-বেসরকারি সব অফিস ও গার্মেন্টস বন্ধ থাকবে। এসময় সব ধরনের যানবাহনও চলবে না। আজ শুক্রবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

এর আগে এদিন সকালে এক ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, দেশে করোনাভাইরাস ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সংক্রমণের সঙ্গে মৃত্যুর হারও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। কিন্তু এতেও কমেনি জনগণের উদাসীনতা। এ অবস্থায় জনস্বার্থে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের জন্য সরকার ‘সর্বাত্মক লকডাউনে’র বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করছে।

তবে বর্তমানে চলমান লকডাউন আর সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যে পার্থক্য কী হবে? এখন যেভাবে লকডাউন চলছে, সর্বাত্মক লকডাউনের সময়ও কি একই পরিস্থিতি থাকবে? নাকি নিষেধাজ্ঞার আওতা বাড়বে?

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, সর্বাত্মক লকডাউন বলতে যে চিন্তাটি করা হয়েছে সেটা হলো শুধু জরুরি সেবা ছাড়া আর কোনো কিছুই চলবে না। এখন যেমন কিছু কিছু বিষয়ে নমনীয়তা দেখানো হচ্ছে, সেটি হয়তো তখন আর করা হবে না।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের জনস্বাস্থ্যবিদেরাও এই পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, বর্তমানে যে লকডাউন চলছে সেখানে সব ধরনের গণপরিবহন চলছে। বাজার, শপিং মল খোলা হয়েছে। অফিস-আদালত, ব্যাংক, বিমা সবকিছুই খোলা। বেসরকারি খাতের সবকিছুই খোলা। খোলা রয়েছে শিল্পকলকারখানা।

ফরহাদ হোসেন বলেন, তবে ওষুধের দোকান, নিত্যপণ্যের দোকান জরুরি সেবার মধ্যেই পড়ে। তাই এগুলো সর্বাত্মক লকডাউনেও খোলা রাখা হবে।

তিনি আরও বলেন, নিত্যপণ্যের দোকান খোলা রাখার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হতে পারে। আর সরকারের অন্যান্য জরুরি সেবা হলো বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন, স্বাস্থ্য, ত্রাণ বিতরণ, স্থলবন্দর, ইন্টারনেট, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আনা–নেওয়া ও এর সঙ্গে জড়িত অফিসগুলো।

এদিকে, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা এলাকায় দুই সপ্তাহের পূর্ণ লকডাউন ছাড়া চলমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছেন করোনা মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় পরামর্শক কমিটি।

কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সারাদেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ১৮টি নির্দেশনা এবং পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকেও বিধিনিষেধ দেয়া হয়। এগুলো সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না। এ কারণে সংক্রমণের হার বাড়ছে। বিধিনিষেধ আরো শক্তভাবে অনুসরণ করা দরকার।

দলের আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপে বহিষ্কৃত দুই নেতাকে ফেরাল বি…
  • ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
কুবির শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্ত হচ্ছে ৩টি নতুন নীল বাস
  • ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন ডাকসু সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা
  • ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
আন্তর্জাতিক মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ রাউন্ডে চ্যাম্প…
  • ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক নেবে রিলেশনশিপ অফিসার, আবেদন শে…
  • ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে রেফারি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিসিবি সভা…
  • ২৬ জানুয়ারি ২০২৬