রান্নাঘরেই লুকিয়ে মাইক্রোপ্লাস্টিক, যেভাবে এড়িয়ে চলবেন

২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৬ PM
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি © টিডিসি ফটো/ এআই

প্লাস্টিকের ব্যবহার এত বেড়েছে যে প্রতিদিন আমাদের শরীরে প্রবেশ করছে হাজার হাজার মাইক্রোপ্লাস্টিক। আমাদের খাবারের সঙ্গেই শরীরে প্রবেশ করছে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা। রান্নাঘরের পানি, খাবার, পাত্র ও রান্নার সরঞ্জাম সবকিছুই এই প্লাস্টিকের উৎস হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ৫ মিলিমিটারের কম যেটাকে বলা হয় মাইক্রোপ্লাস্টিক। এ ছাড়া ১ থেকে ১ হাজার ন্যানোমিটারকে ন্যানোপ্লাস্টিক বলা হয়। যা এখন প্রায় সব ধরনের খাবারে পাওয়া যাচ্ছে। ফল, সবজি, মাংস, মাছ, ডিম, দুধ এমনকি মধুতেও। গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৯০ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে মানুষের খাদ্যে প্লাস্টিক গ্রহণের পরিমাণ ছয় গুণের বেশি বেড়েছে। খাদ্যে এই প্লাস্টিক প্রবেশ করে বিভিন্নভাবে দূষিত মাটি থেকে উদ্ভিদের মাধ্যমে, পশুখাদ্যের মাধ্যমে প্রাণীর শরীরে, কিংবা খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণের সময়।

এ ছাড়া অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবারে প্লাস্টিক দূষণের ঝুঁকি বেশি থাকে। এক্ষেত্রে কোমল একটি বড় উৎস। বোতলজাত পানিতে ঢাকনা খোলা-বন্ধের সময়ই প্রতি লিটারে শত শত মাইক্রোপ্লাস্টিক তৈরি হতে পারে। যদিও নিরাপদ হলে কলের পানি ব্যবহার এবং ফিল্টার ব্যবহারে এই ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

রান্নাঘরের প্লাস্টিক পাত্র, কাটিং বোর্ড, নন-স্টিক প্যান, এমনকি স্পঞ্জ থেকেও মাইক্রোপ্লাস্টিক খাবারে মিশতে পারে। বিশেষ করে তাপের প্রভাবে প্লাস্টিক দ্রুত ভেঙে ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, মাইক্রোওয়েভে প্লাস্টিক পাত্র গরম করলে লাখ লাখ প্লাস্টিক কণা বের হতে পারে। চা তৈরির ক্ষেত্রেও সতর্কতা প্রয়োজন। কিছু টি-ব্যাগে থাকা প্লাস্টিক গরম পানিতে বিলিয়ন সংখ্যক মাইক্রোপ্লাস্টিক ছাড়তে পারে। 

তবে কিছু সহজ পদক্ষেপে এই ঝুঁকি কমানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ভাত রান্নার আগে চাল  ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়া, এতে করে ২০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ঝুঁকি কমতে পারে। এছাড়া মাংস ও মাছ ভালোভাবে ধোয়া, প্লাস্টিকের বদলে কাঁচ বা স্টিলের পাত্র ব্যবহার, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলা এবং ক্ষতিগ্রস্ত বা পুরনো প্লাস্টিক সামগ্রী ব্যবহার না করা।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, সব প্লাস্টিক একসঙ্গে ফেলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই; বরং যেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত বা পুরনো, সেগুলো ধীরে ধীরে পরিবর্তন করা প্রয়োজন। স্বাস্থ্যগত দিক থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকের প্রভাব এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তবে গবেষণায় দেখা গেছে, এসব কণা মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত, মস্তিষ্ক এমনকি প্লাসেন্টাতেও পাওয়া গেছে। কিছু ক্ষেত্রে এগুলো শরীর থেকে বের হয়ে যায়, তবে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে। তাই ব্যক্তিগত সচেতনতা জরুরি। [সূত্র: বিবিসি]

বড় চমক দেখাল ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’, দুইদিনে ফলোয়ার ছাড়…
  • ২১ মে ২০২৬
পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পিডিবির, ভোক…
  • ২১ মে ২০২৬
দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলো রামিসা
  • ২১ মে ২০২৬
নির্মাণ শ্রমিক কর্তৃক নারী শিক্ষার্থী হেনস্তা, নোবিপ্রবিতে …
  • ২১ মে ২০২৬
পশুর হাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে বন্ধ ইজারা কার…
  • ২১ মে ২০২৬
আফ্রিকায় ছড়িয়ে পড়া ইবোলা ভাইরাসের বৈশ্বিক ঝুঁকি কতখানি?
  • ২১ মে ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
21 June, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081