কেমন কাটল তারেক রহমানের সরকারের প্রথম ছয় মাস?

১৭ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫০ AM
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান © সংগৃহীত

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দেড় বছর পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেয় বিএনপি। প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরে আসা দলটির সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হয়েছে।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেওয়ার পরদিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা।

ছয় মাস পর এসব অগ্রাধিকার কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে, তা নিয়ে মূল্যায়ন শুরু হয়েছে। কারণ, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা এবং বিদ্যুৎ-জ্বালানি এই তিন খাতেই গত কয়েক মাসে মানুষের অসন্তোষ ও সমালোচনা দেখা গেছে।

তবে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডসহ কিছু উদ্যোগ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমাতে প্রধানমন্ত্রীর কিছু পদক্ষেপ এবং সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের ট্যাক্সমুক্ত গাড়ি না নেওয়ার সিদ্ধান্তও প্রশংসিত হয়েছে।

অন্যদিকে রাজনৈতিক সংস্কার, বিশেষ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের রায়কে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়াকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সংকটের আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ। তবে সরকারের দাবি, প্রথম ছয় মাসের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় সবই অর্জিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি যে অঙ্গীকার করেছিল, সেগুলোর বাস্তবায়ন চলছে এবং গত ছয় মাসে সরকারের অধিকাংশ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা ছিল। বিশেষ করে অপরাধ, গণপিটুনি ও ‘মব ভায়োলেন্স’ নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রত্যাশিত উন্নতি হয়নি বলে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে গণপিটুনি, রাজনৈতিক সংঘাত, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং কারাগারে মৃত্যুর একাধিক ঘটনা ঘটেছে। ছয় মাসে নারী ও শিশু নির্যাতন বা সহিংসতায় ২২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে নয়টি, কারাগারে বন্দি বা বিচারাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ৫৫ জন এবং ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৩৬৫টি।

একই সময়ে মব সহিংসতায় ১২০ জন মারা গেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) হিসাবে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে ৮৩০টি। গত বছরের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ৫২৯টি।

এইচআরএসএসের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে ১ হাজার ৬২১ জন নারী সহিংসতার শিকার হয়েছেন। গত বছরের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪২। এ হিসাবে সহিংসতার ঘটনা বেড়েছে ৫৬ শতাংশ।

এ সময়ে বিভিন্ন ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। বিভিন্ন স্থানে বিরোধী দল এনসিপি ও জামায়াতের ওপর হামলার অভিযোগও এসেছে।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মুহাম্মদ উমর ফারুক জানান, রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় আসার পরও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনো ভঙ্গুর। খুন, চাঁদাবাজি, নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো অপরাধ কমাতে সরকারের আরও কার্যকর পরিকল্পনা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

অর্থনীতিতে কিছু উদ্যোগ, তবে চাপ কাটেনি
বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশের অর্থনীতি উচ্চ সরকারি ঋণ, দুর্বল ব্যাংকিং ব্যবস্থা, বিনিয়োগ সংকট ও মূল্যস্ফীতিসহ নানা সমস্যায় ছিল।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকেই অর্থনীতিতে এসব সংকট তৈরি হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগের স্থবিরতা, কর্মসংস্থান সৃষ্টির ধীরগতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের সংকোচন, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং জনসেবার অবনতিতে মানুষের উদ্বেগ বাড়ছিল।

অর্থনীতিবিদ ও সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন মনে করেন, ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে উত্তরণে ছয় মাস খুব বেশি সময় নয়, তবে একেবারে কম সময়ও নয়। ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকারের কিছু উদ্যোগ ইতিবাচক। আগের পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করার উদ্যোগ কার্যকর করার চেষ্টাকেও তিনি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

তবে দ্রব্যমূল্য পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ইতিবাচক হলেও বিনিয়োগ ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এখনো ঘাটতি রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বন্ধ শিল্পকারখানা চালু করতে সরকার যে তহবিল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে, তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে কর্মসংস্থান তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করেন ফাহমিদা খাতুন।

তবে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয়ের চাপ এখনো বড় সমস্যা। আর্থিক নীতি ও বাজার ব্যবস্থাপনার সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া মূল্যস্ফীতি কমানো কঠিন বলেও মনে করেন তিনি।

বিদ্যুৎ-জ্বালানিতে ভোগান্তি
সরকারের প্রথম ছয় মাসে সবচেয়ে বেশি সমালোচিত খাতগুলোর একটি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি। দেশের বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং বেড়েছে। মধ্যরাতের পর দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকার কারণে গৃহস্থালি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ। বিশেষ করে জুন মাসের ব্যবহারের বিপরীতে পাওয়া বিল নিয়ে অনেক গ্রাহক স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি বিল আসার অভিযোগ করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাব্বির আহমেদ বিদ্যুৎ খাতে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘ছয় মাসের মধ্যে অন্তত এ খাতকে স্থিতিশীল অবস্থায় আনা সম্ভব ছিল।’

জ্বালানি খাতেও বড় সংকট তৈরি হয়েছে। ইরান-আমেরিকা-ইসরায়েল যুদ্ধের পর পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। পরে জুলাইয়ের শেষ দিকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে গ্যাস সংকট দেখা দেয়।

গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় অনেক এলাকার পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে ওঠে। এর প্রতিবাদে আগস্টের শুরুতে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট রাজপথে কর্মসূচি দেয়। বিরোধী দল সচিবালয় ঘেরাওয়ের মতো কর্মসূচিও পালন করে।

অর্থনীতিবিদ ফাহমিদা খাতুন জানান, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকলে জীবনযাত্রা ও অর্থনীতি দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তবে বিএনপি জ্বালানি সংকটকে সরকারের ব্যর্থতা হিসেবে দেখছে না। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভীর দাবি, আন্তর্জাতিক সংকট ও একটি টার্মিনাল নষ্ট হওয়ার কারণে বিদ্যুৎ সংকট তৈরি হয়েছে এবং পরিস্থিতি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।

কূটনীতিতে ইতিবাচক অর্জনের দাবি
অর্থনীতি, আইনশৃঙ্খলা ও সুশাসন নিয়ে সমালোচনা থাকলেও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাসকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকদের অনেকে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের নির্বাচিত হওয়াকে সরকারের বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখছেন সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ূন কবির। ২ জুন নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন।

তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর ছিল মালয়েশিয়া ও চীন। ২১ থেকে ২৬ জুনের এ সফরে তিনি প্রথমে মালয়েশিয়া এবং পরে চীন সফর করেন।

চীন সফরে দুই দেশের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু হওয়া, বাংলাদেশ-মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত অর্থনৈতিক করিডর এবং চীনের সঙ্গে পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষায় টু প্লাস টু সমঝোতার উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে এখনো কিছুটা জটিলতা রয়ে গেছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সম্পর্ক উন্নয়নের ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও তারেক রহমানের ভারত সফর এখনো হয়নি।

ভারত সরকার তাকে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। সেপ্টেম্বরে ব্রিকস সম্মেলনেও তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তবে রোববার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারত সফরের জন্য অনুকূল পরিবেশের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম বলেন, দুই দেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে যোগাযোগ রাখলেও শেখ হাসিনা দিল্লিতে প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলন করায় সফরের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই সফরের জন্য অনুকূল পরিবেশ প্রয়োজন।

সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ূন কবির জানান, আলোচনার মাধ্যমে সফরটি সম্পন্ন হলে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে তা সহায়ক হতে পারে।

সংস্কার ও সুশাসনে প্রশ্ন
গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সংস্কারের দাবি জোরালো হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয়করণ, একতরফা নির্বাচন ও আর্থিক খাতে অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন সংস্কার কমিশন গঠন করে।

আরও দেখুন: খুকৃবি কর্মচারীর বরখাস্তের প্রক্রিয়া শুরু, আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে একতরফা সিদ্ধান্ত 

কমিশনগুলোর সুপারিশ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার পর তৈরি হয় জুলাই সনদ। এর ওপর গণভোটও অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখানে হ্যাঁ জয়ী হয়। তবে বিএনপি নির্বাচনে জয়লাভের পর গণভোটের আদেশকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ না করায় বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে সরকারের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্বাধীন বিচার বিভাগ, গুম কমিশন, দুর্নীতি দমনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছয় মাসেও দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় আইন অনুমোদন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ, মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশের কার্যকারিতা এবং পুলিশ সংস্কার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘বিএনপির কাছে জনগণের প্রত্যাশা ছিল রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক সংস্কারে গুরুত্ব দেওয়া হবে। কিন্তু সরকারের প্রথম ছয় মাসে সুশাসন ও রাজনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যায়নি।’

জুলাই সনদের গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও সংস্কার ইস্যুতে বিএনপির অবস্থানকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে মাঠে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে বিরোধী দল জামায়াত-এনসিপি জোট।

ছয় মাসের হিসাব
সব মিলিয়ে বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাসে কিছু সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ব্যয়সংকোচন এবং কূটনৈতিক উদ্যোগ প্রশংসা পেলেও দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, বিদ্যুৎ-জ্বালানি এবং রাজনৈতিক সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সরকারের সামনে এখনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

সরকার যেখানে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে অগ্রগতির দাবি করছে, সেখানে বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছে জনগণের দৈনন্দিন দুর্ভোগ কমানো এবং রাষ্ট্রীয় সংস্কারে আরও দৃশ্যমান ফল দেখানোর প্রয়োজন রয়েছে। আগামী ছয় মাসে এসব সংকট মোকাবিলায় সরকার কতটা কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা।

নিখোঁজের একদিন পর কলেজ শিক্ষকের মরদেহ  উদ্ধার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
অফিসার নিয়োগ দেবে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক, আবেদন ৩১ আগস্ট…
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
ইউরোপ যেতে ৩৮ বাংলাদেশির ভূমধ্যসাগর পাড়ি, প্রাণ গেল ৯ জনের—…
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
অটোরিক্সার কারখানায় নজর নেই প্রশাসনের, অভিযান শুধু সড়কে
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
দীনেশ ত্রিবেদী বললেন— প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর …
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
পাবিপ্রবির দুই ছাত্রী হলে নেই ক্যান্টিন—খাবার-পণ্য কিনতে ভো…
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
nextjobzimage