নারী-শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ করা সকলের দায়িত্ব: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

১৩ জুন ২০২৬, ০৬:১২ PM
বক্তব্য রাখছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন

বক্তব্য রাখছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন © সংগৃহীত

সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। পুরুষ হোক আর নারী হোক, নির্যাতন সকলের ক্ষেত্রে সমান উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা ও মাদকের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে। দেশে আইনের অভাব নেই; সমস্যা আইনের প্রয়োগ ও সামাজিক মানসিকতায়। একইসঙ্গে নারী ও শিশু অধিকার সুরক্ষায় সরকার, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং জনগণকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের আনোয়ারা বেগম-মুনিরা খান মিলনায়তনে ‘নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে তিনি এ আহ্বান জানান।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, আইন, নীতিমালা এবং নানা ধরনের অ্যাডভোকেসি কর্মসূচি থাকার পরও মামলা দায়ের, তদন্ত এবং ডাক্তারি পরীক্ষায় বিলম্ব, অপর্যাপ্ত প্রমাণ এবং সাক্ষীর অভাবে লিঙ্গভিত্তিক যৌন সহিংসতা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। প্রচলিত আইন কাঠামোর সীমাবদ্ধতা, বিচারহীনতার সংস্কৃতি, ক্রমবর্ধমান সামাজিক অস্থিতিশীলতা, সামাজিক অস্থিতিশীলতা, সামাজিক অন্যায়-অবিচার, সংঘবদ্ধ  সহিংসতার অপসংস্কৃতির ফলে সামগ্রিকভাবে মানবাধিকার এবং মানবিক মর্যাদার ক্রমঅবনতি ঘটছে।সামগ্রিকভাবে সমাজে বাড়ছে অপরাধ প্রবণতা। বর্তমান সরকার বিদ্যমান আইনের ব্যাপক প্রচার ও যথাযথ বাস্তবায়ন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

সংলাপে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও  গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ, কলামিস্ট মফিদুল হক, উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার মোছা. লিজা বেগম, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন সবুজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের  ক্রিমিনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম সোহাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সিলিং সাইকোলজি ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপক ড. মেহজাবিন হক, বি স্ক্যান-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সালমা মাহবুব, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের কোষাধ্যক্ষ মেইনথিন প্রমীলা বক্তব্য দেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, মানবিক শিক্ষা পরিবার থেকে শুরু হয় এজন্য পরিবার থেকে নৈতিকতা শিক্ষা দিতে হবে। সহিংসতা প্রতিরোধে স্থানীয় পর্যায়ে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করার সুপারিশ করেন।

সাবেক বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ বলেন, ভাইরাল হওয়া ঘটনার বাইরে সব ধরনের নারী-শিশু নির্যাতনের বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি প্রয়োজন।

৫০০ প্রতিষ্ঠান তৈরি, ৪ হাজার ভবন, নতুন এমপিও ও শিক্ষা ঋণসহ …
  • ১৩ জুন ২০২৬
অবহেলার অভিযোগে চিকিৎসককে মারধর: লাশ আটকে ডাক্তারদের প্রতি…
  • ১৩ জুন ২০২৬
সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় কর বাড়ানোর প্রতিক্রিয়ায় যা হবে 
  • ১৩ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের যেসব বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষায় আন্তর্জাতিক শ…
  • ১৩ জুন ২০২৬
আমরা নুরকে নেতা বানাইছিলাম, কিন্তু তিনি ‘আম্মা’ ডাকছিলেন হা…
  • ১৩ জুন ২০২৬
ইন্টার্নদের দাবি মেনে নিল ডেল্টা মেডিকেল, কর্মবিরতি প্রত্যা…
  • ১৩ জুন ২০২৬
×