জাতীয় সংসদ ভবন © ফাইল ছবি
জাতীয় সংসদে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার পদের পর গুরুত্বপূর্ণ দুইটি পদ সরকারি ও বিরোধী দলের চিফ হুইপ বা হুইপ পদ। চিফ হুইপ হলেন সংসদে সরকারি দলের মুখপাত্র। চিফ হুইপের সঙ্গে কয়েকজন হুইপও থাকেন। তাদের সবাই সংসদ সদস্যের মধ্যেই নির্বাচিত হন। চিফ হুইপ ও হুইপের প্রধান কাজ সংসদে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা করা।
সংসদবিষয়ক গবেষকরা বলছেন, হুইপের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে, নিজ দলের সদস্যদের পার্লামেন্ট বা আইনসভায় নিয়মিত হাজির করার ব্যবস্থা করা, সংসদে কোনো বিল উত্থাপিত হলে দলীয় সব সদস্যরা যেন দলের পক্ষে ভোট দেন তা নিশ্চিত করা কিংবা সদস্যরা কোন বিষয়ের ওপর কতক্ষণ বক্তব্য দেবে তার সময় সীমা নির্ধারণ করা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করেছেন। শপথ গ্রহণের দিন সরকারি দল মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন। একই দিন সংসদেই, জামায়াত এনসিপি জোটের সংসদ সদস্যরা শপথ বাক্য পাঠ করেন।
বিরোধী জোটের বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানকে বিরোধী দলীয় নেতা, জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে বিরোধী দলীয় উপনেতা ও এনসিপির আহবায়ক নাহিদ ইসলামকে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নির্বাচিত করা হয়।
আরও পড়ুন: সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য কড়া নির্দেশনা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের
সংসদ বিষয়ক গবেষক অধ্যাপক কে এম মহিউদ্দিন বলেন, আইন অনুযায়ী- চিফ হুইপ ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার পদটি একজন পূর্ণ মন্ত্রীর পদমর্যাদার। এতে বিরোধীদলীয় নেতা একজন পূর্ণ মন্ত্রীর সমান সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন।
বিএনপির পক্ষ থেকে তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করা হলেও সংসদ উপনেতা কিংবা সরকার দলীয় চিফ হুইপ পদ এখনো ঘোষণা করা হয়নি। খবর: বিবিসি বাংলা।