‘আহত ও শহীদ পরিবারের ১২ হাজার ৮৭৭ জনকে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানে দেবে সরকার’

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০১:০৭ PM , আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০১:১৭ PM
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া © সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবার থেকে ১২ হাজার ৮৭৭ জনকে প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া হবে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। 

অনুষ্ঠানে আসিফ মাহমুদ বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা সাম্য, ন্যায়বিচার, নাগরিক মর্যাদা, গণতন্ত্র এবং সমৃদ্ধির নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন দেখেছি, তা বাস্তবায়নে যুব সমাজ সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এই তরুণরাই আজ দেশের প্রতিটি অগ্রগতির মূলে রয়েছে।

তিনি বলেন, শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী করে গড়ে তুলতে একটি বিশেষ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় ১২ হাজার ৮৭৭ জনকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের পথ দেখানো হবে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের আরেকটি বড় প্রকল্প ‌‘আর্ন’ এর মাধ্যমে প্রায় ৯ লাখ যুবক, যুবতী ও নারীকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

আসিফ মাহমুদ জানান, শুধু প্রশিক্ষণ নয়, জাতীয় যুব নীতিমালাও হালনাগাদ করা হয়েছে। পাশাপাশি যুব উদ্যোক্তা নীতিমালা–২০২৫ প্রণয়ন করা হয়েছে, যাতে তরুণরা উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারেন এবং অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারেন।

অনুষ্ঠানে ‘ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড–২০২৫’ এ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সম্মাননা জানানো হয় ১২ জন তরুণ-তরুণীকে। যুব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে অসাধারণ অবদানের জন্য পুরস্কার পেয়েছেন বগুড়ার সুরাইয়া ফারহানা রেশমা, মাগুরার মো. আক্কাচ খান ও নোয়াখালীর মো. জাকির হোসেন।

শিক্ষা, বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি ও কারিগরি খাতে অবদানের জন্য সম্মাননা পেয়েছেন ঝালকাঠির মো. খালেদ সাইফুল্লাহ ও গাইবান্ধার মো. শাহাদৎ হোসেন। দেশপ্রেম, বীরত্ব ও সাহসিকতার ক্ষেত্রে পুরস্কার পেয়েছেন পাবনার মো. দ্বীপ মাহবুব ও রাজশাহীর হাসান শেখ।

সমাজকল্যাণে অবদানের জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন লালমনিরহাটের মো. জামাল হোসেন, কক্সবাজারের নুরুল আবছার ও রাজশাহীর মো. মুহিন (মোহনা)। ক্রীড়া, কলা ও সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য পুরস্কার পেয়েছেন সাতক্ষীরার আফঈদা খন্দকার এবং বান্দরবানের উছাই মং মার্মা (ধুংরী হেডমন)।

সব পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে তুলে দেওয়া হয় নগদ এক লাখ টাকা বা সমমূল্যের প্রাইজবন্ড, একটি সম্মাননা ক্রেস্ট এবং একটি সার্টিফিকেট। এর আগে রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম জানিয়েছিলেন, যুব কল্যাণ তহবিল আইন, ২০১৬ অনুযায়ী পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ১২ জন তরুণকে এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে।

জুলাই জাদুঘরসহ বিভিন্ন কাজের স্বীকৃতি নিয়ে ফাইজ তাইয়েবের ক্…
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
‘ছয় মাসে অনেক খেয়েছেন, মনে হয় দলটাই খেয়ে ফেলবেন’—নেতাকর্মীদ…
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অপসারণের দাবির প্রেক্ষিতে য…
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
জাকসুর সাংস্কৃতিক সম্পাদকের পদত্যাগের ঘোষণা
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
মাটি ও আবহাওয়ার তথ্য বিশ্লেষণ করে কোন ফসল চাষ করবেন জানাবে …
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
জাবির খাল পুনঃখননে টেকনিক্যাল টিম পাঠানোর ঘোষণা পানিসম্পদ ম…
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬