রেকর্ড যেন লিওনেল মেসির নিত্যসঙ্গী। তিনি মাঠে নামলেই নতুন কোনো না কোনো কীর্তি গড়ে ওঠেই। ২০০৬ বিশ্বকাপে সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রোর বিপক্ষে বদলি নেমে গোল ও অ্যাসিস্ট দিয়ে বিশ্বকাপ ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন আর্জেন্টাইন এই মহাতারকা। দুই দশক পর ২০২৬ বিশ্বকাপেও ৩৯ বছর বয়সে একই ধারায় নতুন ইতিহাস লিখছেন ।
গ্রুপ পর্বে শতভাগ জয়ে আর্জেন্টিনাকে শেষ ষোলোতে তোলার পর কোয়ার্টার ফাইনালেও দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মেসি। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে একটি অ্যাসিস্ট করে আবারও রেকর্ডবইয়ে নাম তুলেছেন তিনি।
ম্যাচের দশম মিনিটে পরপর দ্বিতীয় কর্নার থেকে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। বাঁ-দিক থেকে মেসির নিখুঁত কর্নারে সবার ওপরে উঠে শক্তিশালী হেডে জাল খুঁজে নেন লিভারপুলের এই মিডফিল্ডার। চলতি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার দ্রুততম গোলও এটিই।
এই অ্যাসিস্টের মাধ্যমে বিশ্বকাপে মেসির মোট অ্যাসিস্টের সংখ্যা দাঁড়াল ১০টি। ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে অন্য কোনো ফুটবলারের এত অ্যাসিস্ট নেই। এই তালিকায় দ্বিতীয়স্থানে থাকা দিয়েগো ম্যারাডোনার অ্যাসিস্ট ৮টি।
শুধু অ্যাসিস্টই নয়, বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে মেসির মোট গোল-অবদান (গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে) এখন ১৫টি, যা গত ৬০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এই তালিকায় তার সবচেয়ে কাছের খেলোয়াড় কিলিয়ান এমবাপে, তার গোল-অবদান ১৪টি।