মেসির গোল উদযাপন © সংগৃহীত
ম্যাচের শুরুতেই গোলের দেখা পেয়েছিল দুই দলই। তবে অফসাইডের কারণে প্রথম ১০ মিনিটেই বাতিল হয়ে যায় দুটি গোল। এর মধ্যে ছিল লিওনেল মেসির একটি গোলও।
আর্জেন্টিনা ও লিওনেল মেসির জন্য ম্যাচটি স্বপ্নের মতো শুরু হতে পারত। খেলার মাত্র পঞ্চম মিনিটে প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠান মেসি। গোল হতেই গ্যালারিতে উল্লাস শুরু হয়ে যায়। সতীর্থরাও উদযাপনে মেতে ওঠেন।
কিন্তু সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মুহূর্তের মধ্যেই সহকারী রেফারি পতাকা উঁচিয়ে অফসাইডের সংকেত দেন। পরে রিপ্লেতে দেখা যায়, মেসি খুব সামান্য ব্যবধানে অফসাইড অবস্থানে ছিলেন। ফলে গোলটি বাতিল করে দেন রেফারি।
গোলটি গণনা হলে বিশ্বকাপে এটি হতে পারত মেসির ১৪তম গোল। তবে সেই মাইলফলক স্পর্শের জন্য তাকে আরও অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
মেসির গোল বাতিল হওয়ার পর একই ধরনের হতাশার মুখে পড়ে আলজেরিয়াও। ম্যাচের নবম মিনিটে আর্জেন্টিনার জালে বল পাঠিয়ে সমতায় ফেরার উল্লাসে মেতে ওঠে দলটি।
তবে গোলটি নিয়ে ভিএআরের সহায়তা নেন ম্যাচ রেফারি। ভিডিও রিপ্লে পর্যালোচনার পর দেখা যায়, আক্রমণ গড়ে তোলার সময় আলজেরিয়ার খেলোয়াড় অফসাইড অবস্থানে ছিলেন। ফলে সেই গোলটিও বাতিল করা হয়।
ফলে ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটেই দুই দল দুটি গোল করলেও কোনোটিই স্কোরবোর্ডে যোগ হয়নি। একদিকে মেসির সম্ভাব্য ১৪তম বিশ্বকাপ গোল হাতছাড়া হয়, অন্যদিকে আলজেরিয়াও সমতায় ফেরার সুযোগ হারায়।
শুরুর এই দুই নাটকীয় সিদ্ধান্ত ম্যাচে বাড়তি উত্তেজনা তৈরি করে। অফসাইডের কারণে দুই গোল বাতিল হওয়ায় প্রথম ১০ মিনিট শেষ হলেও গোলশূন্যই থাকে ম্যাচের স্কোরলাইন।