কাফু © রয়টার্স
ব্রাজিলের দু’বারের বিশ্বকাপজয়ী সাবেক তারকা কাফু বলেছেন, এ বছরের বিশ্বকাপই পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের জন্য ২৪ বছর পর আবার শিরোপা জয়ের সেরা সুযোগ।
২০০২ সালে ফাইনালে জার্মানিকে ২-০ গোলে হারিয়ে পঞ্চমবারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপাজয়ী দলের অধিনায়ক ছিলেন কাফু। এ ছাড়া ১৯৯৪ সালে ইতালিকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শিরোপা জয়ী দলেও ছিলেন তিনি।
মাদ্রিদে লরিয়াস অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের কাফু বলেন, “শেষ শিরোপা জয়ের ২৪ বছর পর, আমি মনে করি এখনই ব্রাজিলের জন্য উপযুক্ত সময়। আমরা একজন ধারাবাহিক জয়ী কোচ পেয়েছি, কার্লো আনচেলত্তি। ব্রাজিল জাতীয় দলের মহিমা আরও বাড়িয়েছেন তিনি।”
রাইট-ব্যাক হিসেবে খেলা কাফু বলেন, ব্রাজিলের মিডফিল্ড ও আক্রমণভাগ আগেই শক্তিশালী ছিল, তাই আনচেলত্তি এ বছরের টুর্নামেন্টের জন্য রক্ষণভাগ শক্তিশালী করার দিকে মনোযোগ দিয়েছেন। কাফু আরও বলেন, ‘যদি ব্রাজিল বিশ্বকাপে গোল না খায়, তাহলে প্রতি ম্যাচে অন্তত একটি গোল করবেই তারা।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রায়ই বিতর্কে জড়ানো ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বিশ্বকাপে ভালো খেলবেন। কাফু বলেন, “বিশ্বকাপ যেকোনো বিতর্ক কাটিয়ে ওঠার সেরা মঞ্চ। যদি তারা ফাইনালে পৌঁছায়, ওই ৮টি ম্যাচে ভিনিসিয়াস জুনিয়র পুরো বিশ্বকে দেখাতে পারে, সে কী করতে সক্ষম।”
গত ১ এপ্রিল ওরলান্ডোতে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-১ গোলে জয়ের প্রীতি ম্যাচে ভিনিসিয়াস একটি অ্যাসিস্ট করেন, যা ফ্রান্সের বিপক্ষে আগের পরাজয়ের পর তার সমালোচনা কমাতে সাহায্য করে। ১৯ বছর বয়সী এনড্রিকও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে দারুণ পারফর্ম করেছেন।
কাফু বলেন, “আমি মনে করি, এখন তার জন্য ভালো সময়। গত বছর রিয়াল মাদ্রিদ থেকে লিঁওতে তাকে ধারে পাঠানোর সিদ্ধান্তটি তার জন্য ইতিবাচক ছিল। এতে সে অনেক উপকার পেয়েছে। সে পরিণত হয়েছে, বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ে পরিণত হয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদের মতো দলে, যেখানে অনেক তারকা খেলোয়াড় আছে, সেখানে তরুণদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা কঠিন। সে এমন একজন তরুণ খেলোয়াড়, যে ব্রাজিলকে অনেক কিছু দিতে পারে এবং আমি নিশ্চিত আনচেলত্তি তাকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন।”
এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে শীর্ষ পাঁচ ফেভারিটের মধ্যে রেখেছে বাজিকররা। বর্তমান ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন স্পেন তালিকার শীর্ষে রয়েছে।