মেসি ও তার স্ত্রী, ইনসাইডে ব্রাজিলিয়ান মডেল © সংগৃহীত ও সম্পাদিত
লিওনেল মেসির মাঠের খেলা যেমন আলোচনায় থাকে, তেমনি তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও ভক্তদের আগ্রহের শেষ নেই। তবে এবার মাঠের বাইরের এক ঘটনায় আলোচনায় এসেছেন মেসির স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো।
ইংলিশ ট্যাবলয়েড ‘দ্য সান’-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তোনেলার আপত্তির কারণে এমএলএস কাপ ফাইনাল দেখার অনুমতি পাননি মেসি ভক্ত ও ব্রাজিলিয়ান মডেল সুজি কোর্টেজ। এর আগে মেসির জন্য নগ্ণ হতে চেয়ে আলোচনায় এসেছিলেন ব্রাজিলের বিতর্কিত এই মডেল।
ব্রাজিলের বিখ্যাত 'মিস বামবাম' বিজয়ী সুজি কোর্টেজ মেসির কতটা বড় ভক্ত, তা তাঁর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চোখ রাখলেই বোঝা যায়। এমনকি মেসির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে শরীরে মেসির ট্যাটুও করিয়েছেন তিনি। এর আগে মেসি পুরস্কার জিতলে প্যারিসের স্তাদ দ্য ফ্রান্সের সামনে সম্পূর্ণ নগ্ন হওয়ার ঘোষণাও দিয়েছিলেন তিনি। সুজি সরাসরি বলেছেন, ‘আমার স্বপ্ন মেসির জন্য নগ্ন হওয়া। মেসি আমার কাছে সব কিছু।’
পুরোনো বিতর্কের সূত্র ধরে এই মডেলের ওপর আগে থেকেই নাখোশ ছিল মেসি পরিবার। ইতিপূর্বে মেসিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিব্রতকর ছবি ও মেসেজ পাঠানোর অভিযোগে তাঁকে ব্লক করেছিলেন মেসি। ‘দ্য সান’ জানিয়েছে, এমএলএস কাপ ফাইনালের আগে সুজি স্টেডিয়ামে প্রবেশের আবেদন করলে আন্তোনেলা ব্যক্তিগতভাবে ইন্টার মায়ামি কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন যেন তাঁকে মাঠে ঢুকতে দেওয়া না হয়। ফলে তাঁর ভিআইপি সিটের আবেদনটি বাতিল করা হয়।
শেষ পর্যন্ত স্টেডিয়ামে ঢুকতে না পেরে স্থানীয় মিডিয়াকে সুজি কোর্টেজ বলেন, ‘আমি অপমানিত বোধ করেছি। কোনো ব্যক্তিগত কারণে কাউকে জনমুখের একটি খেলাধুলার ইভেন্ট থেকে নিষিদ্ধ করা উচিত নয়। এটি লজ্জাজনক।’ তিনি আরও জানান, মেসি ও তাঁর পরিবার তাঁকে আবারও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্লক করেছে।
তবে সুজি দমে যাওয়ার পাত্রী নন। তিনি জানান, ২০২৬ বিশ্বকাপে মেসিকে দেখতে তিনি যাবেনই এবং প্রয়োজনে তাঁর পরিবারের মুখোমুখি হবেন।
অন্যদিকে, মেসি ও আন্তোনেলা রোকুজ্জোর সম্পর্ক বরাবরই সুশৃঙ্খল। ‘গ্রাজিয়া’ ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আন্তোনেলা বলেছেন, ‘আমরা খুব সাধারণ পরিবার। আমাদের রুটিনটাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। খুব সকালে উঠে আমরা বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যাই। ওরা স্কুলে থাকা অবস্থায় আমি নিজের ট্রেনিং, মিটিং বা ফটোশুটগুলো করি। বিকালে আবার ওদের সঙ্গে সময় কাটাই, ফুটবল অনুশীলনে যাই, ডিনার করি, তারপর ঘুমাতে যাই। সবকিছুই নিয়মের মধ্যে চলে।’