বশেমুরবিপ্রবি

ভবন থাকলেও চালু নেই ক্যাফেটেরিয়া, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

ভবন বরাদ্দ থাকলেও চালু হয়নি ক্যাফেটেরিয়া

ভবন বরাদ্দ থাকলেও চালু হয়নি ক্যাফেটেরিয়া © সংগৃহীত

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) ক্যাফেটেরিয়ার জন্য ভবন বরাদ্দ থাকলেও তার সুবিধা ভোগ করতে পারছেন না শিক্ষার্থীরা। ক্লাসরুম সংকট আর টিএসসি না থাকার কারণ দেখিয়ে ক্যাফেটেরিয়ার জন্য বানানো ভবনটিকে এখন ক্লাসরুম ও বিভিন্ন সংগঠনের অফিসরুম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

আর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর প্রায় ১০ বছর পরেও নিয়মিত ক্যাফেটেরিয়া কার্যক্রম চালু করতে না পারায় অসন্তোষ জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০১৩-১৪ সালের দিকে উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে দুই তলা বিশিষ্ট একটি ক্যাফেটেরিয়া ভবন নির্মাণ করা হয়। মাঝে ২০১৫ সালের দিকে কিছুদিন ক্যাফেটেরিয়া চালু করা হয়েছিলো। পরবর্তীতে লোকসানের কারণ দেখিয়ে ক্যাফেটেরিয়ার কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। সেই ভবনটি এখন ব্যবহৃত হচ্ছে ক্লাসরুম ও বিভিন্ন সংগঠনের অফিসরুম হিসেবে।

এদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে ক্যাফেটেরিয়াটি চালুর দাবি জানিয়ে আসলেও তাতে কোন সাড়া দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ফলে করোনার বন্ধ শেষে ক্যাম্পাস খোলার পরে খাবার নিয়ে সেই পুরনো ভোগান্তি আবার সঙ্গী হলো শিক্ষার্থীদের।  

শিক্ষার্থীরা জানান, একাডেমিক প্রয়োজনে দীর্ঘ সময় ক্যাম্পাসে অবস্থান করলেও খাবার গ্রহণের জন্য তাদের নির্ভর করতে হয় ক্যাম্পাসের বাইরের বিভিন্ন হোটেলের ওপর। তাদের অভিযোগ, এসব হোটেলে একদিকে যেমন খাবারের উচ্চমূল্য গ্রহণ করা হয়, অন্যদিকে খাবারের মান নিয়েও থাকে সংশয়।

ক্যাফেটেরিয়া না থাকায় দুর্ভোগের কথা জানিয়ে বশেমুরবিপ্রবির কৃষি বিভাগের শিক্ষার্থী মুকুল আহমেদ রনি বলেন, অনেক সময় আমাদের ক্লাস এবং ল্যাবের কারণে দীর্ঘ সময় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ক্যাফেটেরিয়া না থাকায় এই সময়ে হয় আমাদের না খেয়ে থাকতে হয়, অথবা ক্যাম্পাসের বাইরের হোটেলগুলোতে খেতে হয়।

বাইরের এসব হোটেলের খাবারের মান নিয়েও সংশয় আছে রনির। তিনি বলেন, বাইরের হোটেলে খেতে যেতে সময়ের অপচয় তো হয়ই। পাশাপাশি সেখানকার খাবারের মানও তেমন একটা ভালো পাওয়া যায় না। এছাড়া খাবারের উচ্চমূল্য তো রয়েছেই। তাই আমরা চাই দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্যাফেটেরিয়া চালু করা হোক।  

ক্যাফেটেরিয়া না থাকায় ভোগান্তির একই কথা জানালেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের উজ্জ্বল মন্ডল কৃষ্ণময়ও। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারণা কল্পনা করতে গেলেই ক্যাফেটেরিয়া, ক্যান্টিন, টিএসসির মতো গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ সামনে চলে আসে। অথচ বশেমুরবিপ্রবিতে দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া ও ক্যান্টিন বন্ধ রয়েছে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের বাধ্য হয়ে ক্যাম্পাসের বাইরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার খেতে হচ্ছে। এটা একটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মোটেও কাম্য নয়।

শিক্ষার্থীরা নানা সেবামূলক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে জানিয়ে শিক্ষার্থী উজ্জ্বল মন্ডল অবিলম্বে ক্যাফেটেরিয়ার জন্য বাজেট বরাদ্দ দিয়ে তা চালুর দাবি জানান।

শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি নিয়ে জানতে চাইলে বশেমুরবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কিউ. এম. মাহবুব বলেন, ক্যাফেটেরিয়া চালু হবে। কিন্তু কবে হবে সেটা বলতে পারবো না। এতদিন চালু ছিল না, আমার আগেও ছিল না। সুতরাং, সময় লাগবে। আপাতত হলের ক্যান্টিনে শিক্ষার্থীদের খেতে হবে।   

সিপাহী নিয়োগ দেবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, আবেদন শেষ ২ এপ্রিল
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
সেলস অ্যান্ড মার্কেটিংয়ে নিয়োগ দেবে বেলমন্ট গ্রুপ, কর্মস্থল…
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
জবিতে শিক্ষক-কর্মচারী হেনস্থার ঘটনায় জকসুর নিন্দা
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
ঈদের ছুটিতে ঘুরে আসুন বরগুনার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
ডিপ্রেশন: বিদেশে উচ্চশিক্ষার ফাঁকে ছুটিতে এসে ঢামেকের সাবেক…
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
যশোর শহরে নিবন্ধিত রিক্সা-ইজিবাইক ৪৫শ’, চলছে ২০ হাজার: অসহন…
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence