রাজধানীর কুর্মিটোলায় ভাসমান মাদক ব্যবসায়ীদের স্থাপনায় অভিযান চালিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। সেখানে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ৭৬টি স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। তবে এসময় কেউ আটক হয়নি। অভিযানের খবর পেয়ে আগেই মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায় বলে জানায় র্যাব।
আজ বুধবার র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
সরোয়ার আলম বলেন, ৭৬টি অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে আজকের অভিযান শুরু হয়েছে। আটক করার মতো কাউকে পাওয়া যায়নি। আগেই পালিয়েছে তারা। তিনি আরও বলেন, সরকারি জায়গা দিনের পর দিন এমন দখলে রেখে যারা সন্ত্রাসের সুযোগ করে দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে আজই জানাবো পরিত্যক্ত বগি সরিয়ে নিতে।
ভবিষ্যতে এপথে চলতে গিয়ে কেউ যেন আর বিপদে না পরেন তা নিশ্চিত রাখা হবে বলে জানান তিনি।
গত রবিবার রাজধানীর কুর্মিটোলা এলাকায় বাস থেকে নামার পর ধর্ষণের শিকার হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রী। এরপর থেকেই ধর্ষককে গ্রেফতার ও শাস্তি দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন চলছে। ধর্ষণের শিকার ছাত্রী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ওই ঘটনায় মজনু নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারস্থ র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মো. সারওয়ার-বিন-কাশেম। তিনি জানান, দীর্ঘ ৪৮ ঘন্টার অভিযানের পর বুধবার ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে তাকে আটক করা হয়। ঘটনার পর বিমানবন্দর রেল স্টেশন থেকে তিনি নরসিংদী চলে যায়। পরে আবার ফিরে রাজধানীতে। তিনি বিমানবন্ধর-শেওড়া এলাকায় ভবঘুরে থাকতো।
তিনি বলেন, মজনুর বাড়ি নোখালীর হাতিয়ায়। তিনি বিবাহিত হলেও বর্তমানে তার সঙ্গে পরবিারের কারও সর্ম্পক নেই। ১২ বছর আগে ঢাকা থেকে ট্রেনে করে বাড়ি ফেরার পথে এক দুর্ঘটনা তার দুটি দাঁত ভেঙ্গে যায়। ভাঙ্গা দাঁত দিয়ে তাকে সনাক্ত করতে সুবিধা হয় বলে জানান এ র্যাব কর্মকর্তা।