বুটেক্স স্টেশনারিতে জায়গা স্বল্পতা: ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩২ PM , আপডেট: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৬ PM
বুটেক্স স্টুডেন্টস কর্নারে স্টেশনারি দোকান

বুটেক্স স্টুডেন্টস কর্নারে স্টেশনারি দোকান © টিডিসি ফটো

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) এ একাডেমিক ভবনের নিচতলায় স্টুডেন্টস কর্নারে স্টেশনারি দোকান থাকলেও সেটি নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের রয়েছে নানান অভিযোগ। বিশেষ করে স্টেশনারিটিতে পর্যাপ্ত জায়গার অভাব শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির অন্যতম প্রধান কারণ। তাছাড়া পর্যাপ্ত কর্মী না থাকায় অতিরিক্ত ভিড় সামলানো স্টেশনারি দোকানিদের জন্যও কষ্টসাধ্য। যার পরিপ্রেক্ষিতে ইতিপূর্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্টেশনারি সম্প্রসারণ প্রকল্পের কথা বলা হলেও সেটির বাস্তবায়ন এখনো দৃশ্যমান হয়নি।

পূর্বে বুটেক্সের পুরোনো টিএসসির সামনে ছিল কেন্দ্রীয় স্টেশনারির অবস্থান। পরবর্তীতে সেটির স্থান পরিবর্তন করে একাডেমিক ভবনের নিচতলায় আনা হয়। বেশিরভাগ সময় শিক্ষার্থীরা বুটেক্সের স্টেশনারি থেকে বিভিন্ন কোর্সের বই, নোট, শিট প্রিন্ট এবং ফটোকপি করে থাকে। স্টেশনারিতে পণ্যের দাম সাধারণত বাইরের দোকানের তুলনায় কিছুটা কম হওয়ায় শিক্ষার্থীরা এখানে বেশি আসেন। তাছাড়া দোকানটি ক্যাম্পাসে অবস্থিত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্লাসের ফাঁকে বা প্রয়োজনীয় মুহূর্তে দ্রুত কেনাকাটার জন্য এখানেই ভিড় করেন।

এতে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের কষ্ট কমলেও জায়গা ছোট হওয়ায় ক্লাস চলাকালীন সময়ে প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এছাড়াও ল্যাব ফাইনাল পরীক্ষা ও টার্ম ফাইনালের ফরম ফিলআপের সময় শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়, ফলে প্রয়োজনীয় কাগজ প্রিন্ট বা ফটোকপি করতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়।

আরও পড়ুন: ৩ লাখ ৮৭ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে

বুটেক্সের স্টেশনারি নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ওয়েট প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আল আমিন হোসাইন বলেন, ‘স্টেশনারিটা ছোট হওয়ায় অনেক সময় একটি জিনিস প্রিন্ট বা কেনার জন্য ভিড়ের মধ্যে ২০-৩০ মিনিট সময় লাগে, যা মূলত ১-২ মিনিটের কাজ। কম্পিউটার অপারেটর মাত্র এক-দুইজন থাকায় সঠিক সময়ে সবার প্রয়োজন মেটানো সম্ভব হয় না। সেলসম্যানের সংখ্যাও কম থাকায় ভিড়ের সময় জিনিস কিনতে অনেক সময় নষ্ট হয়।’

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এম এম ফাহাদ জয় বলেন, ‘সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় ল্যাব বা ক্লাসের আগমুহূর্তে, যখন শিক্ষার্থীদের ভিড়ে এখানে মাত্রাতিরিক্ত চাপ থাকে। একটি কাজ করাতেই তখন অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। এছাড়া জায়গাস্বল্পতার কারণে ভিড়ের সময় গরম ও গাদাগাদি পরিস্থিতি তৈরি হয়, যা বেশ কষ্টদায়ক।’

তবে জায়গা সংকট থাকা সত্ত্বেও কাজ করতে গিয়ে তেমন অসুবিধা হচ্ছে না বলে জানান স্টেশনারিতে কর্মরত কম্পিউটার অপারেটর মো. হাসান। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আমরা আগের মতো তেমন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি না। প্রিন্টারের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে, ফলে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কিছুটা কমেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইতিপূর্বে ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক প্রভাব থাকায় সমস্যাটা বেশি ছিল। বিভিন্নভাবে আমাদের বঞ্চিত করা হতো। তবে এখন সেই পরিস্থিতি নেই, ফলে আমরা আমাদের ন্যায্য প্রাপ্য পাচ্ছি এবং আগের তুলনায় ভালো অবস্থায় আছি।’

আরও পড়ুন: সুদীপ-মিমোর সর্ম্পকের চ্যাট-ছবি প্রকাশ্যে

শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহের বিষয়ে দোকানের পরিচালক মো. কামরুল হাসান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন মেটাতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বেশিরভাগ প্রয়োজনীয় জিনিস আমরা সরবরাহ করতে পারি। তবে কখনো স্টক শেষ হয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে দেওয়া সম্ভব না হলেও দ্রুত সংগ্রহ করে দেওয়ার চেষ্টা করি। কোনো পণ্য না থাকলে সেটিও সংগ্রহ করে আনার চেষ্টা করি।’

স্টেশনারি সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আগে পরিকল্পনা ছিল বর্তমান স্টেশনারিটি স্থানান্তর করে নতুন ক্যান্টিনের পেছনে বড় জায়গায় নেওয়া হবে এবং বর্তমান জায়গাটি উন্মুক্ত রাখা হবে। কিন্তু নতুন ক্যান্টিন নির্মাণের পর পেছনের জায়গা অন্য কাজে ব্যবহার হওয়ায় পরিকল্পনাটি আর বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন পরিচালক অধ্যাপক ড. শেখ মো. মামুন কবীর বলেন, ‘পূর্বে স্টেশনারি স্থানান্তরের পরিকল্পনা ছিল। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতি, যুদ্ধাবস্থা ও জ্বালানি সংকটের কারণে সরকার বরাদ্দকৃত বাজেটের ৫০ শতাংশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে। ফলে নতুন কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারি অনুমোদন প্রয়োজন হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে স্টেশনারি সম্প্রসারণ সম্ভব না হলেও ভবিষ্যতে সরকারের অনুমোদন ও পর্যাপ্ত বাজেট পাওয়া গেলে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করা হবে।’

প্রাথমিকে নতুন করে জাতীয়করণ, যা বললেন ববি হাজ্জাজ
  • ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এবার কৃষি গুচ্ছের নেতৃত্বে শেকৃবি, ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষ…
  • ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
একাদশে ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল
  • ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তি তিন বিষয়ের ওপর
  • ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মামলার তদন্তে আড়াই বছর পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন
  • ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জোন ইনচার্জ নিয়োগ দেবে বম্বে সুইটস, আবেদন ৬ অক্টোবর পর্যন্ত
  • ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
FALL 2026
Application Deadline Wednesday, 16 Sept 2026
Apply Now

Admission Test Schedule

  • Test Date: Friday, 18 Sept 2026
  • Written Exam: 10:00 – 11:00 AM
  • Oral Viva: 11:30 AM onwards

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9