সাইফুর রহমান © ফাইল ফটো
শিক্ষার্থীদের বেধে দেয়া আল্টিমেটাম শেষ হওয়ার আগেই বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুর রহমান ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছেন। ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে তিনি বিভিন্ন বিভাগের ডিন এবং শিক্ষকদের সাথে মিটিং করছেন। বিষয়টি নিাশ্চত করেছেন বোর্ডের জনসংযোগ কর্মকর্তা শফিউর রহমান।
এর আগে সকালে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যকে বিকাল ৫টার মধ্যে ক্যাম্পাসে এসে জবাবদিহিতা করার আল্টিমেটাম দেন। শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটাম শেষ হওয়ার আগেই ক্যাম্পাসে আসলেন বুয়েট ভিসি।
উল্লেখ্য, রোববার (৬ অক্টোবর) দিবাগত রাত ২টার সময় বুয়েটের শেরেবাংলা হলের একতলা এবং দ্বিতীয় তলার মাঝামাঝি জায়গায় আবরারকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে সাধারণ ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সোমবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সোমবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢামেক ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. মো. সোহেল মাহমুদ বলেন, বাঁশ বা স্ট্যাম্প দিয়ে পেটানো হয়ে থাকতে পারে বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদকে। এর ফলেই রক্তক্ষরণ বা পেইনের (ব্যথা) কারণে ফাহাদের মৃত্যু হয়েছে।
তিনি বলেন, ফাহাদের হাতে, পায়ে ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ আঘাতের কারণে ফাহাদের শরীরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। আর তাতেই তার মৃত্যু হয়েছে। আঘাতের ধরন দেখে মনে হয়েছে ভোঁতা কোনো জিনিস যেমন-বাঁশ বা স্ট্যাম্প দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তবে তার মাথায় কোনো আঘাত নেই। কপালে ছোট একটি কাটা চিহ্ন রয়েছে।
এ ঘটনায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন।