অধ্যাপক ড. বেলাল হোসাইন © টিডিসি ফটো
বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় টানা তৃতীয়বারের মতো স্থান পেয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ফিশারিজ এন্ড মেরিন সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: বেলাল হোসাইন।
যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আন্তর্জাতিক স্বনামধন্য প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার কর্তৃক যৌথভাবে প্রকাশিত বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় তাঁর নাম স্থান পেয়েছে। এর আগে তিনি ২০২৪ ও ২০২৫ সালের প্রকাশিত তালিকায়ও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
প্রকাশিত আন্তর্জাতিক সূচক অনুযায়ী, অধ্যাপক ড. মো: বেলাল হোসাইনের বৈশ্বিক র্যাংক ৬৬,৫৩৫। তার মূল বিষয় বায়োলজি এবং এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স সাবফিল্ডে তার বিশ্ব র্যাংক ১,৪৯৫। প্রকাশিত তথ্যে আরও দেখা যায়, তার এইচ-ইনডেক্স ১৯ এবং এইচএম-ইনডেক্স ৬।
এলসেভিয়ারের প্রকাশিত এই তালিকায় বিশ্বের শীর্ষ এক লাখ গবেষকের পাশাপাশি নিজ নিজ গবেষণা-শাখায় সেরা ২ শতাংশে থাকা বিজ্ঞানীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গবেষকদের কাজের আন্তর্জাতিক প্রভাব, সাইটেশন সংখ্যা, গবেষক হিসেবে তাদের ভূমিকা ও সহলেখকদের সঙ্গে যৌথ কাজের নানা মানদণ্ড বিবেচনা করে এই র্যাংকিং তৈরি করা হয়ে থাকে।
গবেষণা ও প্রকাশনায় অধ্যাপক ড. বেলাল হোসাইনের সাফল্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ। স্কোপাস ইনডেক্সভুক্ত আন্তর্জাতিক জার্নালে তার ২০০টিরও বেশি মানসম্পন্ন গবেষণা প্রবন্ধ এবং ১০টি বই প্রকাশিত হয়েছে। তার গবেষণাকর্ম বিশ্বজুড়ে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে, যা ৮,৩৯৮টিরও বেশি সাইটেশন এবং ৪৯ এইচ-ইনডেক্স দ্বারা প্রমাণিত। উচ্চতর গবেষণার পাশাপাশি তিনি প্রায় ২০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
আরও দেখুন: সরকারি ১০ প্রতিষ্ঠানের বড় নিয়োগ দেখুন একসাথে
টানা তিন বছর আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি অর্জনে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে অধ্যাপক ড. মো: বেলাল হোসাইন বলেন, ‘সর্বপ্রথম মহান আল্লাহর দরবারে অশেষ শুকরিয়া আদায় করছি। আমার শিক্ষাদান ও গবেষণাকে মূল্যায়ন করে যারা এই বৈশ্বিক সম্মাননার জন্য বিবেচিত করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। এই স্বীকৃতি অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের, যা একই সঙ্গে একজন শিক্ষক হিসেবে আমার দায়িত্ববোধও অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।’
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ার ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছর বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ গবেষকদের এই তালিকা প্রকাশ করে থাকে। মানসম্পন্ন প্রকাশনা ও গবেষণাপত্রের উদ্ধৃতির ওপর ভিত্তি করে বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীদের স্বীকৃতি প্রদানে এই তালিকাটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ বলে বিবেচিত।