শতাব্দী রায়ের লিগ্যাল নোটিশ পেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

০৮ অক্টোবর ২০২০, ০৫:২৯ PM
শিক্ষা মন্ত্রণালয়

শিক্ষা মন্ত্রণালয় © ফাইল ফটো

জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের উপর ভিত্তি করে উচ্চমাধ্যমিকের গ্রেড দেয়ার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবিতে করা আইনি নোটিশ পেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার সকালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খানের মাধ্যমে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শতাব্দী রায় নামে এক শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে আইনি নোটিশ দেয়া হয়েছে। সেটি আমরা পেয়েছি।

এর আগে গতকাল বুধবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। অনলাইন ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানান, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণ করে উচ্চ মাধ্যমিকের গ্রেড নির্ধারণ করা হবে। এরপর গ্রেড নির্ধারণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিশ পাঠান শতাব্দী রায় নামে ওই ছাত্রী।

রেজিস্ট্রি ডাকযোগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক এবং ৯টি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে স্থগিত হওয়া এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রস্তুতের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য বলা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, জেএসসি ও এসএসসির ফলাফলের গড় করার কারণে একদিকে যেমন অনিয়মিত, একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য, প্রস্তুতিহীন শিক্ষার্থীর জন্য সুযোগ তৈরি হবে, তেমনিভাবে কোনও কারণে জেএসসি কিংবা এসএসসিতে কম জিপিএ পাওয়া মেধাবী, পরিশ্রমী শিক্ষার্থীরা তাদের প্রচেষ্টা প্রমাণে ব্যর্থ হবে। আগের ফলাফলের গড় করে পরবর্তী পরীক্ষার ফলাফল নির্ধারণ এক ধরনের জোরপূর্বক এবং বেআইনি আরোপ। যা দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ আইনত করতে পারেন না।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, জেএসসি ও এসএসসির ফলাফলের গড় করার কারণে একদিকে যেমন অনিয়মিত, একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য, প্রস্তুতিহীন শিক্ষার্থীর জন্য সুযোগ তৈরি হবে, তেমনি ভাবে কোনও কারণে জেএসসি কিংবা এসএসসিতে কম জিপিএ পাওয়া মেধাবী, পরিশ্রমী শিক্ষার্থীরা তাদের প্রচেষ্টা প্রমাণে ব্যর্থ হবে। আগের ফলাফলের গড় করে পরবর্তী পরীক্ষার ফলাফল নির্ধারণ এক ধরনের জোরপূর্বক এবং বেআইনি আরোপ। যা দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ আইনত করতে পারেন না।

করোনার কারণে যদি পরীক্ষা একেবারেই না নেওয়া যায়, সেক্ষেত্রে নিজ নিজ কলেজে অনুষ্ঠিত টেস্ট পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল প্রস্তুতের দাবি জানানো হয়েছে।

আগামী ৩ দিনের মধ্যে নোটিশে উল্লেখিত দাবি মানা না হলে শিক্ষার মৌলিক অধিকার আদায়ে হাইকোর্ট বিভাগে রিট করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আমি কীভাবে ‘ভাই ব্যবসা’ করলাম— প্রশ্ন মীর স্নিগ্ধের
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
ক্যাম্পাসে মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে রাকসুর মশকনিধন কর্মসূচি
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাবির বিজ্ঞান ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষার ফল কবে, যা জানা যাচ্ছে
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাবিতে চাঁদাবাজির প্রমাণাদি বড় পর্দায় দেখাবেন ডাকসু নেতা
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
ভারত থেকে এলো ১২৫ টন বিস্ফোরক
  • ২৫ জানুয়ারি ২০২৬