শিক্ষা আইনের খসড়া

নোট-গাইড নিষিদ্ধ, বৈধতা পাচ্ছে কোচিং

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৩:৩৬ AM
সংগৃহীত

সংগৃহীত

নোট-গাইড নিষিদ্ধ করা হলেও কোচিং সেন্টার পরিচালনার বিধান রেখে চূড়ান্ত করা হয়েছে শিক্ষা আইন-২০২০ এর খসড়া। শীঘ্রই এটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনের খসড়া প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় বেশ অগ্রগতি হয়েছে। দ্রুতই মন্ত্রীসভায় উত্থাপনের জন্য পাঠানো হবে।

প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনে নোট-গাইড বিষয়ে বলা হয়েছে, পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তুর আলোকে বিভিন্ন পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নাবলির উত্তর লেখা থাকে যে পুস্তকে, যা বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করা হয়। আইন পাসের ৯০ দিন পর থেকে বাস্তবায়ন হবে নোট, গাইড এবং কোচিং, প্রাইভেট টিউশনসংক্রান্ত বিধান। আইনে নোট-গাইড বিষয়ে বলা হয়েছে, কোনো ধরনের নোট বা গাইড বই মুদ্রণ, বাধাই, প্রকাশ বা বাজারজাত করা যাবে না। এ বিধান লঙ্ঘন করলে অনূর্ধ্ব ৩ বছর কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেয়া যাবে। নোট-গাইড বই ক্রয় বা পাঠে বাধ্য করলে বা উৎসাহ দিলে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, প্রতিষ্ঠান প্রধান ও পরিচালনা কমিটির সংশ্লিষ্ট সদস্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক এখতিয়ারে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আইনের খসড়ায় বাণিজ্যিক কোচিং সেন্টারকে বৈধতা দিয়ে বলা হয়েছে, সরকারি বা স্বীকৃত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে কোনো ব্যক্তি বা শিক্ষক কর্তৃক এক বা একাধিক শিক্ষার্থীকে কোনো প্রতিষ্ঠানে বা নির্দিষ্ট স্থানে অর্থের বিনিময়ে পাঠদান কার্যক্রম। আর প্রাইভেট টিউশন সম্পর্কে বলা হয়, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্তৃক অর্থের বিনিময়ে মূল শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে যে কোনো স্থানে শিক্ষা প্রদান। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট টিউশনের মাধ্যমে পাঠদানের উদ্দেশ্যে কোচিং সেন্টার পরিচালনা করা বা কোচিং সেন্টারে শিক্ষকতা করা এ আইনের অধীন নিষিদ্ধ হইবে না। এক্ষেত্রে দুটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। প্রথমত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চলাকালীন সময় সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত কোচিং সেন্টার পরিচালনা করা যাইবে না। করা হলে উক্ত কোচিং সেন্টারের ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করা যাবে। দ্বিতীয়ত, কোচিং সেন্টারে কোনো শিক্ষক তার নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীকে পাঠদান করতে পারবেন না। করলে তা অসদাচরণ হিসেবে শাস্তিযোগ্য হবে।

কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট-টিউশনের মাধ্যমে পাঠদান করতে পারবেন না। কোনো শিক্ষক নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে অর্থের বিনিময়ে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন পদ্ধতিতেও প্রাইভেট টিউশন বা কোচিংয়ের মাধ্যমে পাঠদান করতে পারবেন না। করলে তা অসদাচরণ বলে গণ্য ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে। তবে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের শনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের লিখিত সম্মতি সাপেক্ষে স্কুল সময়ের পরে বা আগে সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি বা নীতিমালা অথবা জারিকৃত পরিপত্র বা নির্বাহী আদেশ অনুসরণপূর্বক অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করতে পারবেন।

 

বদলি-পে স্কেল ও শতভাগ উৎসব ভাতার দাবিতে আন্দোলনে নামছেন এমপ…
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
৬ মাসের কম বয়সী শিশুর খাবারে চিনি নিষিদ্ধ করল ভারতীয় খাদ্য …
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ছাত্র বা ছাত্রী শারীরিক-যৌন নির্যাতনের শিকার হলে অভিযোগ তদন…
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ইউরোপের এক দেশে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের জোট ‘স্…
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সিনিয়র ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকে যে বার্তা দিলেন তামিম ইকবাল
  • ২৬ অক্টোবর ২০২৬