শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন © সংগৃহীত
আগামীতে একক প্রশ্নে এসএসসি পরীক্ষা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর দনিয়া কলেজে ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ এবং ইউনিসেফের’ যৌথ আয়োজনে এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আমরা যে নকলকে মিন বা বুঝায়, সেই নকল আর হয় না। এখন কিছুটা হয় ডিজিটাল নকল। তাহলে আমরা আইন করছি যেন ডিজিটাল নকল বন্ধ হয়।ডিজিটালি নকলের যে ধরণের সহযোগিতা এখন নিচ্ছে, সেটা বন্ধ করতে হবে। প্রশ্নপত্র নিয়মিত ফাঁস হতো। এবার আমরা এসেছি, এ প্রশ্নপত্র বিগত সরকার করে দিয়েছিল। আমরা করতে পারিনি, আমরা তো মাত্র সরকারে এসেছি। প্রশ্নপত্র যেন ফাঁস না হয়, সে ব্যাপারে আমরা কাজ করছি।
তিনি বলেন, আমরা চাই বাংলাদেশের সকল শিক্ষার্থী একক প্রশ্নে যেন পরীক্ষা দেয়। সিলেট, ঢাকা ও রাজশাহীর আলাদা আলাদা প্রশ্ন ‘ইটস নট ফেয়ার’ এটা ঠিক না, এটা হবে না। আগামীতে একক প্রশ্নে পরীক্ষা হবে।যেহেতু অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা উপস্থিত আছে, তাই বলছি, একবার এক শিক্ষার্থী একটি কোর্সে ফেইল করবে, দ্বিতীয়বার তার কোর্স পরিবর্তন হবে। আবার প্রশ্ন করব, দ্বিতীয়বার ফেইল করবে তার জন্য প্রশ্ন করব, তৃতীয়বার ফেইল করবে, আবার তার জন্য প্রশ্ন করব। নো নো উই আর নট ফর দ্যাট।
তিনি আরও বলেন, আমরা এসএসসিতে ৫৬টা প্রশ্ন করি। কে ফেইল করছে, তার সিলেবাস পরিবর্তন হয়েছে, তার জন্য ওই প্রশ্ন। আমরা চারবার একজনের জন্য প্রশ্ন করি। সামনে এসএসসি পরীক্ষা, এটা ভালোভাবে যেন হয়, কোনো ভীতি যেন প্রদর্শন না করা হয়। আমি দেখছি, ফেসবুকে তারা নিজেরা নিজেরাই ভয় পাচ্ছে। ভীত হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। সুন্দর পরীক্ষা হবে। আমরা মনিটরিং করব।
সিসি ক্যামেরা অনেকে ভয় পাচ্ছে। সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে আমার শিক্ষকরা ঠিকমত ক্লাসে পড়াচ্ছে কিনা, তা তদারকি করব। আমার শিক্ষকদের ঠিকমতো পড়াতে হবে। ক্লাসরুম টিচিং রেকর্ড থাকতে হবে। আমি আমার সুবিধামতো সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে দেখব, শিক্ষকরা পড়াচ্ছেন কিনা। এটা নিয়ে এত ভয়ের কি আছে? এটা নিয়ে ট্রল করছে। শিক্ষকরা ক্লাস করাচ্ছে কিনা এটা আমি দেখব। আমাকে দেখতেই হবে। শিক্ষার্থীরা তাকে রিসিভ বা গ্রহণ করলেন কিনা এটা আমি দেখব না?