শিক্ষকদের বদলির ফল ফেসবুকে, যা বলছে মাউশি

১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২১ PM , আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৫ PM
মাউশি

মাউশি © ফাইল ছবি

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ফলাফল আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হবে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে খবর চাউর হয়েছে। তবে এ ধরনের খবরের কোনো সত্যতা নেই বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। 

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মাউশির একটি সূত্র জানিয়েছে, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন চীন সফরে রয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকও দেশের বাহিরে। এ ছাড়া বদলি নিয়ে যে জটিলতাগুলো তৈরি হয়েছে সেগুলোর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়নি। ফলে সহসাই বদলির ফল প্রকাশিত হবে সেটি বলা যাচ্ছে না।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে মাউশির এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, 'ফেসবুকে বদলির ফল প্রকাশের খবরটি গুজব। এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্তই হয়নি। শিক্ষামন্ত্রী দেশে ফেরার পর বদলির জটিলতা নিরসনের বিষয়ে সভা হবে। এরপর বদলির ফল কবে প্রকাশ করা হতে পারে সে বিষয়ে সম্ভাব্য সময় বলা যাবে।

এদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ফল না প্রকাশ করার নেপথ্যে সফটওয়্যার সংক্রান্ত কোনো জটিলতা নেই। জটিলতা তৈরি হয়েছে ঢাকা বদলি হতে চাওয়া শিক্ষকদের কারণে। এমপিওভুক্ত অনেক শিক্ষক ঢাকায় বদলি হয়ে আসতে চাচ্ছেন। তাদের পক্ষে বিএনপি সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা তদবির করছেন। অধিকাংশ শিক্ষককে ঢাকায় বদলি করা হলে কাকে কোন প্রতিষ্ঠানে দেওয়া হবে সেটি নিয়েও তদবির চলছে।

সূত্র জানিয়েছে, শিক্ষকদের একটি অংশ বদলি আবেদন বাতিল করতে চায়। এজন্য তারা ডিলেট অপশন চালুর দাবিতে শিক্ষামন্ত্রী থেকে শুরু সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছেন। এই আবেদনের বিষয়গুলো ইতোমধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে শিক্ষা প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা অবহিত করেছেন। যার বলে শিক্ষামন্ত্রী অনেকটাই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

শিক্ষকদের আরেকটি পক্ষ বদলি আবেদনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দ করা থেকে শুরু করে নানা সমস্যা দেখিয়ে আবেদন এডিট করতে চাচ্ছেন। এজন্যও পৃথকভাবে আবেদন জমা পড়েছে। 

বদলিপ্রত্যাশী শিক্ষকদের আরেকটি পক্ষ শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের আওতায় আসার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় এই মুহূর্তে বদলি হতে চাচ্ছেন না। এজন্য তারা জোর তদবির চালাচ্ছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, অনেকের স্বামী-স্ত্রীর বনিবনা হচ্ছে না, এজন্য তারাও বদলির সুযোগ চাচ্ছেন না। বর্তমান কর্মস্থলেই থাকার আগ্রহ প্রকাশ করছেন তারা। শিক্ষকদের একাধিক আবেদন, তদবির এবং চাপের কারণে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এজন্য বদলি কার্যক্রম অনেকটাই থমকে গেছে।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এনটিআরসিএ ১৯২ জনকে প্রতিস্থাপন করেছে। প্রতিস্থাপিত হওয়া পদগুলোতে বদলির জন্য আগে থেকেই আবেদন করেছেন বদলিপ্রত্যাশীরা। তাদের বিষয়েও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সব মিলিয়ে বদলির ফল প্রকাশে একাধিক জটিলতা রয়েছে।’

গত ১৩ সেপ্টেম্বর এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের বদলি আবেদন শেষ হয়েছে। বদলির জন্য ১৩ হাজার ৬৭৮টি আবেদন জমা পড়েছে। তবে একজন প্রার্থী একাধিক প্রতিষ্ঠান পছন্ত দেওয়ার সুযোগ পাওয়ায় আবেদনকৃত প্রকৃত প্রার্থীর সংখ্যা জানা যায়নি। 

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: স্বা…
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্ত দাবি জামায়াত…
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
বিয়ে না করার কারণ জানালেন সালমান খান
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
পাকিস্তানে স্কুলের ছাদধসে নিহত বেড়ে ৩০
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমার বাবা-মাকে কী জবাব দেব?’
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬
নতুন পে-স্কেলে বেতন-ভাতার দাবিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আল্টি…
  • ১৫ অক্টোবর ২০২৬