দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত আজকের ঢাকা বিশবিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম, কারচুপি ও ভোট জালিয়াতের অভিযোগ উঠেছে। ইতোমধ্যে ছাত্রলীগ ছাড়া প্রায় সব ছাত্র সংগঠন নির্বাচন বর্জন করেছে। এনিয়ে দেশের গণমাধ্যম থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের বিরূপ মন্তব্য প্রকাশিত হচ্ছে।
আজ সোমবার সন্ধ্যায় ফেসবুকে নিজের পাতায় কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’র আহ্বায়ক হাসান আল মামুন লিখেছেন, আমার সার্টিফিকেটগুলো পুড়িয়ে ফেলবো ভাবছি! কার কাছ থেকে শিক্ষা নিয়ে এই সার্টিফিকেট অর্জন করলাম??... কোন চোর আমার শিক্ষক হতে পারে না’।
আরো দেখুন: র্যাগিংয়ের দায়ে ছাত্রলীগ নেতাসহ বহিষ্কার ৬
ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের অনিয়মের অভিযোগ এনে তার নিজ ফেসবুক প্রোফাইলে এমনই স্ট্যাটাস দেন মামুন। এছাড়া এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জন করা তার বিভিন্ন পর্যায়ের সার্টিফিকেটগুলোর সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন রেখেছে কোটা আন্দোলনকারী এই নেতা।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের শিক্ষার্থীদের মাঝে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তার ধারাবাহিকতায় এই সংগঠনের ব্যানারে ডাকসু নির্বাচনে আলাদা প্যানেল দিয়েছিলো।
আরো দেখুন: নির্বাচন বাতিল ছাড়া আন্দোলন প্রত্যাহার নয়
এদিকে, বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ, ছাত্রদল, ছাত্র ইউনিয়ন, স্বতন্ত্র জোটসহ প্রায় ছাত্র সংগঠনের প্যানেল ডাকসু নির্বাচন বর্জন করেছে। পাশাপাশি পুনঃতফসিলের মাধ্যমে আরেকটি সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনরত রয়েছেন।