ছাত্রলীগ নেতাদের উপস্থিতিতে দোকানগুলো খুলে দেয়া হয়
মানবিক দিক বিবেচনা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) এলাকার দোকানগুলো খুলে দিয়েছে ছাত্রলীগ। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতাদের উপস্থিতিতে এই দোকানগুলো খুলে দেয়া হয়। এ সময় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, দোকানীদের মানবিক বিষয় বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি নিয়ে দোকানগুলো খুলে দেয়া হয়েছে।
এর আগে বইমেলায় নিরাপত্তাজনিত কারণে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) এলাকার সব দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ দেয় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। বইমেলার শেষ পর্যন্ত দোকানগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশনা ছিল।
গোলাম রব্বানী বলেন, এখানে যারা চায়ের দোকান করেন তাদের একমাত্র আয়ের উৎস এই দোকানগুলো। তাদের মানবিক দিক বিবেচনা করে দোকানগুলো খুলে দেয়া হয়। তিনি বলেন, দোকানদারদের একজন কনা। কনা এই দোকান করে এইচএসসি পাশ করেছে। এটি জানার পর গোলাম রাব্বানী ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে তাকে একমাসের মধ্যে চাকরি পেতে সহায়তা করার ঘোষণা দেয়। এদিকে, কনা টিএসএসসিতে চায়ের দোকান করে তার মায়ের ক্যান্সারের চিকিৎসা করার খরচ চালায়। অন্যজন হলো আবদুল জলিল (স্বপন মামা)। তিনি ১৯৮৪ সাল থেকে টিএসসিতে দোকান করছেন।
তিনি বলেন, এর আগে প্রধানমন্ত্রীর বইমেলা উদ্বোধনে আসলে নিরাপত্তাজনিত কারণে এই দোকানগুলো তুলে দেয়া হয়। অনেক শিক্ষার্থী এখানে আড্ডা দেয়, তাদের কিছু খাওয়ার জন্যও এখানের চায়ের দোকান প্রয়োজন।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, ছাত্রলীগের উদ্যোগে টিএসএসির দোকানগুলো খুলে দেয়া হয়। শিক্ষার্থী ও দোকানদারের মানবিক দিক বিবেচনা করে এই উদ্যোগ নেয়া হয় বলে জানান তিনি