‘বাংলাদেশি দালালদের’ বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করছে ভিয়েতনাম

২৪ জুলাই ২০২০, ১১:৩৭ AM

© ডয়েচে ভেলে

ভিয়েতনামের বড় বড় কোম্পানিতে কাজ দেয়ার নামে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দালালরা। এরকম ১৭ জন প্রতারিত গত সোমবার হ্যানয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনের রাস্তায় অবস্থান নেন।দেশটির জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয় হো চি মিন, নি ডুওং ও ভুং তাও শহরের পুলিশকে ‘বাংলাদেশি দালালদের’ ব্যাপারে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে৷

দেশে ফেরত পাঠানোর দাবিতে গত সোমবার ভিয়েতনামের ভুং তাও থেকে ১৭ জন শ্রমিক হ্যানয়ে পৌঁছে বাংলাদেশ দূতাবাসের সামনের রাস্তায় অবস্থান নেন। ভুং তাও থেকে হ্যানয়ের দূরত্ব এক হাজার ৬৭৭ কিলোমিটার। তবে বৃহস্পতিবার বিকেলে তাদের রাস্তা থেকে নিয়ে হ্যানয়ের একটি হোটেলে রাখা হয়েছে বলে ভুক্তভোগীদের একজন জানিয়েছেন।

ভিয়েতনাম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশটির জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয় হো চি মিন, নি ডুওং ও ভুং তাও শহরের পুলিশকে দালালদের ব্যাপারে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। তাদের বাংলাদেশি শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও বলা হয়েছে।

ওই ১৭ বাংলাদেশি নাগরিককে ভুং তাও শহরে ফিরিয়ে নেয়া, তাদের কাজ দেয়া বা ফ্লাইট চালু হলে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করতেও ভিসা স্পন্সরকারীদের নির্দেশ দিয়েছে সেখানকার কর্তৃপক্ষ।

১৭ জন বাংলাদেশির একজন রায়হান উদ্দিন জানান, তাদের সাথে বাংলাদেশি দূতাবাসের কর্মকর্তা এবং নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির সঙ্গে বৃহস্পতিবার বিকেলে বৈঠক হয়েছে। বৈঠকের পর তাদের একটি হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারা এখন তাদের চাকরি দেয়ার কথা বলছে। কিন্তু ১৭ জন বাংলাদেশি আর চাকরি করতে চান না। তারা দেশে ফেরত আসতে চান।

রায়হান উদ্দিনের বাড়ি বাংলাদেশের কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার দৌলতপুরে। দালালকে সাড়ে চার লাখ টাকা দিয়ে সাত মাস আগে ভিয়েতনাম যান তিনি। তাকে ভুং তাও-ও হুন্দাই কোম্পানির একটি শিপইয়ার্ডে কাজ দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত সাত মাসে তাকে কোনো কাজ দেয়া হয়নি। তারা ১৭ জনই একসঙ্গে ভিয়েতনাম যান। তার দাবি, তাদের সবার বিএমইটির অনুমোদন আছে।

রায়হান বলেন, ‘সাত মাসে চাকরি তো দেয়ই নাই, উপরন্তু আমাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে আরো এক হাজার ১০০ ডলার করে জোর করে নিয়েছে। তিনি জানান, বাংলাদেশের আতিক, সাইফুল ও সোবহানসহ আরো কয়েকজন মিলে একটি ভুয়া প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে ভিয়েতনামে। তারা ভিয়েতনামের বড় বড় প্রতিষ্ঠানের জাল কাগজপত্র তৈরি করে বাংলাদেশিদের নিয়ে আসে।

তিনি বলেন, প্রত্যেকের কাছ থেকে চার-পাঁচ লাখ টাকা নেয়। কিন্তু বাস্তবে ওইসব প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্বই নেই। চাকরি তো দেয়ই না, উল্টো প্রতারাণা করে আরো টাকা আদায় করে, নির্যাতন করে। বাংলাদেশেও তাদের একটি চক্র আছে। তারা লোক সংগ্রহ করে।

ভিয়েতনামে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ দাবি করেন, তারা প্রতারিত বাংলাদেশিদের ব্যাপারে নানা ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছেন। ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভিয়েতনামের এবং বাংলাদেশের সক্রিয় দালালদের ব্যাপারে তথ্য দেয়া হয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব এরই মধ্যে তিনজন দালালকে ঢাকায় গ্রেপ্তার করেছে। খবর: ডয়েচে ভেলে।

ভোলায় ৮৯০ লিটার ডিজেল জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা ৫০ হাজার
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকায় ৫ মন্দিরে সাড়ে ৬ কোটি টাকা …
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
সরকারি প্রাথমিকে মিড ডে মিলে শিক্ষার্থীরা পেল ‘পঁচা’ বনরুটি
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামে এনসিপি নেতৃবৃন্দের উপর হামলার প্রতিবাদ
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
যশোর শিক্ষাবোর্ডে এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনার নীতিমালা প্রণয়ন
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
close