এবার আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়ি চালকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ করার দায়ে আদালতে মামলা করেছে এক প্রবাসীর স্ত্রী। বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) ব্রাহ্মণবাড়িয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এ মামলাটি দায়ের করেন ওই নারী।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ওই নারীর স্বামী বিদেশে থাকার সুবাদে ইউএনও’র গাড়ি চালক মনিরের সাথে তার সম্পর্ক তৈরি হয়। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি আখাউড়া উপজেলা পরিষদের ডাকবাংলোতে ডেকে নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ওই নারীর ভাড়া বাড়িতেও একাধিকবার ওই নারীকে মনির ধর্ষণ করে।
মামলার বিবরণে আরও বলা হয় মনির ওই নারীর কাছ থেকে নগদ ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় এবং ধর্ষণের কথা কাউকে বলা হলে অশ্লীল ভিডিও প্রকাশ ও তার মেয়েকে গুম করে দেওয়ার হুমকি দেয়। পরবর্তীতে ওই নারী গর্ভবর্তী হয়ে পড়ে। বিষয়টি মনিরকে জানালে মনির তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। ইউএনও কার্যালয়ে এসে মনিরকে বিয়ের কথা বললে সে গালমন্দ করে তাকে তাড়িয়ে দেয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাড়ি চালক মনির বলেন, ওই নারীকে আমি চিনি। তার সাথে আমার কোন সম্পর্ক ছিল না। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা।
আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাহমিনা আক্তার রেইনা বলেন, মনির ও ওই নারী দুই জনই বিবাহিত। ওই নারী আমাকে জানিয়েছেন মনিরের সাথে তার সম্পর্ক রয়েছে। তার ফলে ওই নারী গর্ভবর্তী হয়ে পড়েন বলেও জানান। মনির মাস্টার রোলে কাজ করে। সে এখন আর অফিসে আসছে না। তাকে আমি রাখবও না।