গ্রেপ্তার দুই আসামী © টিডিসি ফটো
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ এলাকায় একটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত আরও দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার ভোররাতে পৃথক অভিযানে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার বিক্রির কিছু নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা আদালতে ডাকাতির ঘটনায় নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চর মনসা এলাকার মো. আল-আমিন (২৩) ও রামগতি উপজেলার সবুজগ্রাম এলাকার মো. শাহীন (২৪)। পুলিশ বলছে, তাঁরা দুজনই পেশাদার ডাকাত চক্রের সক্রিয় সদস্য।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ মার্চ রাতে চন্দ্রগঞ্জ থানার কুশাখালী ইউনিয়নের একটি একতলা ভবনে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ৭ থেকে ৮ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল ওই বাড়ি থেকে ২৯ ভরি ৬ আনা স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ১ লাখ টাকা ও একটি মুঠোফোনসহ প্রায় ৬০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় থানায় মামলা হওয়ার পর অভিযানে নামে পুলিশ।
এর আগে গত ১৬ মার্চ পুলিশ অভিযান চালিয়ে এই চক্রের আরও দুই ডাকাত এবং লুণ্ঠিত স্বর্ণ কেনাবেচায় জড়িত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছিল। তখন তাঁদের কাছ থেকে ১০ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৩ লাখ ৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছিল।
চন্দ্রগঞ্জ থানা-পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার দিবাগত রাতে লক্ষ্মীপুর সদর ও রামগতি এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল। অভিযানে আল-আমিন ও শাহীনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে স্বর্ণ বিক্রির মোট ৭ হাজার ৩৫০ টাকা জব্দ করা হয়।
লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা ডাকাতির কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হলে তাঁরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত বাকি মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।