বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী নামের দুই সন্ত্রাসীর অস্ত্রের আঘাতে প্রাণ দিয়েছেন রিফাত শরীফ। স্ত্রী আয়েশা আক্তার মিন্নিকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় রিফাত নিহত হন বলে খবরে প্রকাশ। এ হত্যাকাণ্ডে সারাদেশে চলছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়। আসামিরা যেন দেশত্যাগ করতে না পারে, সে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। খুনিদের দ্রুত গ্রেফতারে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীও।
বুধবার বিকেল থেকে হত্যাকাণ্ডের ভিডিওটি ভাইরাল হয়। নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে খুনিদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে দাবি জানাচ্ছেন দেশবাসী।সাহায্য চাওয়ার পরও কেউ এগিয়ে না এসে কেন ভিডিও করছিলেন সে বিষয়ে অনেকেই ভর্ৎসনা করেছেন। তবে ওই ভিডিওর কল্যাণেই এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাচ্ছেন সবাই। খুনি নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজীকে শনাক্ত হয়েছেন।
ভিডিওসহ নিউজটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
সূত্র জানিয়েছে, যে ভিডিওটি গণমাধ্যমসহ সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ হচ্ছে, সেটি করেছেন বরগুনা সরকারি কলেজের কলা ভবনের শিক্ষার্থীরা। বরগুনার কলেজ সড়কের ক্যালিক্স কিন্ডারগার্টেনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় কলা ভবন থেকে ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করে পুরো ঘটনা নিজেদের মোবাইল ক্যামেরায় ধারণ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন তারা।
রিফাত শরীফ বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে তাঁর স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকাকে বরগুনা সরকারি কলেজে নিয়ে যান। কলেজ থেকে ফেরার পথে মূল ফটকে নয়ন, রিফাত ফরাজীসহ আরো দুই যুবক রিফাত শরীফের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাঁরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিফাত শরিফকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।
রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা দৃর্বৃত্তদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। তাঁরা রিফাত শরীফকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন রিফাত শরীফকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। বরগুনার কলেজ সড়কের ক্যলিক্স কিন্ডার গার্টেনের সামনে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করা হলেও চারজনের সম্পৃক্ততা পেয়েছে পুলিশ।