এখনই জেল থেকে বের হতে পারছেন না টাঙ্গাইল-৩ আসনের আলোচিত সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আমানুর রহমান খান রানা। রানাকে দেয়া হাইকোর্টের জামিন আদেশ আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত। যুবলীগের দুই নেতা হত্যা মামলায় বুধবার রানার স্থায়ী জামিন দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেন বিচারপতি নুরুজ্জামানের চেম্বার জজ আদালত। আজকের আদেশে বলা হয়েছে, আগামী ১ জুলাই আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ততদিন তার জামিন স্থগিত থাকবে।
রানার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট রুশো মোস্তাফা। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ।
আদেশের পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. বশির উল্লাহ বলেন, আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত হাইকোর্টের জামিনাদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। একই সঙ্গে ১ জুলাই আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য আবেদনটি পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৪ মার্চ বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এসএম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রানাকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছিলেন।
জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ মার্চ রানার জামিন স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। একই সঙ্গে শুনানির জন্য পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠানোর আদেশ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় আপিল বিভাগে শুনানির জন্য ওঠে।
এর আগে ফারুক হত্যা মামলায় কয়েক দফা ব্যর্থ হওয়ার পর ২০১৭ সালের ১৩ এপ্রিল হাইকোর্টে জামিন পান রানা। এ মামলায় ২০১৭ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি রানা ও তার তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।এর পর একই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর এমপি রানা ও তার তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করেন আদালত।