বাড্ডায় সুব্রত বাইনের সহযোগী অস্ত্রের চালানসহ গ্রেপ্তার

০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:২৯ AM
মেহেদী হাসান বিপু

মেহেদী হাসান বিপু © সংগৃহীত

রাজধানীর উত্তর বাড্ডার একটি বাসা থেকে দেশি- বিদেশি অস্ত্র ও গুলির চালানসহ মেহেদী হাসান বিপুকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী। তিনি শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তার বাসা থেকে বিভিন্ন ধরনের ১৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৩৯৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে যৌথবাহিনী।

গত শুক্রবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে বাড্ডায় মেহেদী হাসান বিপুর বাসায় অভিযান চালায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে একটি যৌথ দল। ওই বাসা থেকে ৭টি পিস্তল, ৩টি রিভলবার, ২টি এয়ারগান, ১টি রাইফেল, ২টি রাইফেল ম্যাগাজিন, ৮টি পিস্তল ম্যাগাজিন, ৩৯৪ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ৩০ পিস কার্তুজ, ২ সহস্রাধিক এয়ারগান প্যালেটস, ১টি দূরবীন, ৪টি পিস্তল গ্রিপ সাইট কভার, ৩টি চাইনিজ কুড়াল, ১টি বিদেশি ছুরি, ২টি ওয়াকিটকি সেট, ১টি ওয়াকিটকি ব্যাটারি এবং চার্জারসহ ১টি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়। অভিযানে বিপুকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

আইএসপিআর জানায়, বিপু আসন্ন নির্বাচনী পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে অবৈধ অস্ত্র ও বিস্ফোরক গোপনে মজুত করে রেখেছেন।

সন্ত্রাসী বিপু সম্পর্কে যা জানা গেছে: পুলিশ সূত্র বলছে,  শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের হয়ে রামপুরা,বনশ্রী, বাড্ডা, ভাটারা, বারিধারা ও গুলশান এলাকার অপরাধজগৎ নিয়ন্ত্রণ করে আসছিলেন মেহেদী হাসান বিপু। মেহেদী ও তার সহযোগীদের কাছে আরও অস্ত্র রয়েছে। অস্ত্রগুলো মূলত সুব্রত বাইন ও আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী মোল্লা মাসুদের। গত বছরের মে মাসে কুষ্টিয়া শহরে যৌথ বাহিনী অভিযানে সুব্রত বাইন ও মোল্লা মাসুদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সুব্রত বাইনের হয়ে অপরাধজগৎ নিয়ন্ত্রণ করে আসছিলেন মেহেদী হাসান।

পুলিশ জানায়, মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার মেহেদী হাসান সুব্রত বাইনের সহযোগী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাড্ডা, ভাটারাসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্র-গোলাবারুদ বিক্রি করে আসছিলেন।

এদিকে শুক্রবার সকালে সেনাবাহিনী যৌথ অভিযান পরিচালনা করে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে সন্ত্রাসী পিচ্ছি মাসুম ও তার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা হলেন–নাসির, রাজু ও নাঈম। এই অভিযানে ২টি পিস্তল, ১টি রিভলবার, ১টি ডামি পিস্তল, ৩ রাউন্ড পিস্তল এমুনিশন, ৩টি ওয়াকিটকি, মাদকদ্রব্য, নগদ অর্থ ও অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ অভিযানে ২০ জানুয়ারি থেকে গত ১৭ দিনে দেড় শতাধিক অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে; যার অধিকাংশই দেশি-বিদেশি পিস্তল। এছাড়া গোলাবারুদ, ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ পর্যন্ত সেনাবাহিনী ১০ হাজার ১৫২টি অস্ত্র ও ২ লাখ ৯১ হাজার গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে। একই সঙ্গে ২২ হাজার ২৮২ জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। 

এদিকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে একের পর এক অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার হচ্ছে। তপশিল ঘোষণার পর থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যৌথ বাহিনীর অভিযানে ২০৪টি অস্ত্র ও এক হাজার ৯৬৫টি গোলাবারুদ জব্দ করা হয়।

ভিসি পুনর্বহালের দাবি, ক্যাম্পাস ছেড়ে চট্টগ্রামের প্রেসক্লা…
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেডে নির্ধারণ করতে অ…
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
স্কয়ার ফুড নিয়োগ দেবে টেরিটরি সেলস অফিসার, আবেদন ১২ অক্টোবর…
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে যেসব খাবার খাবেন, যেসব খাবেন না
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
ডেঙ্গুতে একদিনে ১০ জনের মৃত্যু
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬
হাসপাতালে সাংবাদিক নিয়ে হুরহুর করে ‘নীতিনির্ধারকদের’ ঢুকে …
  • ০৬ অক্টোবর ২০২৬