আমের জামাল © সংগৃহীত
লিগ পর্বের শেষ ম্যাচ দিয়ে রবিবার (১৮ জানুয়ারি) পর্দা নেমেছে বিপিএলের গ্রুপ পর্বের লড়াইয়ের। এদিন ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ৪২ রানের বড় ব্যবধানে হেরে লিগ পর্ব শেষ করেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। যদিও এই পরাজয় তাদের পথচলা থামাতে পারেনি; আগেই নিশ্চিত হয়ে গেছে কোয়ালিফায়ার-১।
ম্যাচ শেষে চট্টগ্রামের প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদ সম্মেলনে আসেন আমের জামাল। সেখানে ফলাফলের চেয়ে আগের ম্যাচের প্রসঙ্গে বেশি গুরুত্ব দেন তিনি। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে সেই ম্যাচের পিচ নিয়ে প্রকাশ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেন জামাল। ওই ম্যাচে লো স্কোরিং এক নাটকীয় লড়াইয়ে ৩ উইকেটে হেরে যায় চট্টগ্রাম।
আমের জামালের মতে, ওই দিনের উইকেট ছিল অস্বাভাবিক রকম কঠিন, যা ব্যাটিং-বোলিংয়ের স্বাভাবিক ভারসাম্যই নষ্ট করেছে। তার দাবি, এমন পিচে ম্যাচ হলে ক্রিকেটের সৌন্দর্য ও প্রতিযোগিতার মান দুটিই প্রশ্নের মুখে পড়ে।
সংবাদ সম্মেলনে জামাল বলেন, ‘উইকেট আগের ম্যাচেও অনেক বড় ভূমিকা রেখেছে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বিনোদনই মুখ্য ব্যাপার। গতকালের পিচ আসলে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের পিচ ছিল না। আমি সাদা বলে কখনো কোথাও এমন পিচ দেখিনি। ওটা টেস্ট ক্রিকেটের পিচ ছিল। আমি আশা করি তারা টেস্ট ক্রিকেটেও এমন পিচ বানাবে। ১৯তম ওভারে গিয়ে বল সিম এবং সুইং করছিল। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এমনটা কখনও ঘটেনি। আজকের পিচ ভালো ছিল। বোলার-ব্যাটারদের জন্য পরীক্ষা ছিল। আমাদের একসাথে বসে আলাপ করে নিজেদের ভুলগুলো খুঁজে বের করতে হবে।’
ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ম্যাচের উইকেট নিয়ে জামাল বলেন, ‘আমার মনে হয় উইকেটের আচরণ দ্বিতীয় ইনিংসে কিছুটা বদলে গেছে। শুরুতে ভালোই মনে হচ্ছিল। প্রথমে কোনো বলই কাজ করছিল না। বল ব্যাটে আসছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে বেশি সুইং হচ্ছিল। আমি যখন ব্যাট করতে এলাম, আসিফ আলীর সাথে কথা বললাম যে, অন্তত কোয়ালিফায়ারে যাওয়ার রানটা যেন করতে পারি। এরপর সব বলেই হিট করতে চেয়েছি। এভাবেই এগিয়েছি।’
ম্যাচের সর্বোচ্চ ৪২ রান করার পাশাপাশি দুই উইকেট নেন জামাল, নিজের দল নিয়ে তার ভাষ্য, ‘আসলে কে আগে দলের মালিক ছিল, কে চলে গেছে, এগুলো আমার চিন্তা করার ব্যাপার নয়। আমি এখানে ক্রিকেট খেলতে এসেছি। এখানে আমাদের বেশ ভালো দল রয়েছে। অনেককেই আমি বেশ ভালোভাবে চিনি। ৪ বছর ধরে বাংলাদেশে আসছি আমি। ৪-৫ জনকে আগে থেকেই চিনি। কিছু নতুন প্লেয়ারও আছে, বাংলাদেশি প্লেয়াররা সবসময় দারুণ।’