আইসিসি ট্রফি ও বিসিবি লোগো © সংগৃহীত
ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত সর্বশেষ আলোচনায় পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানায় আইসিসি। তবে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার সেই অনুরোধেও নিজেদের অবস্থান থেকে একচুলও সরেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। চলমান এই জটিলতা নিরসনে আলোচনা করতে আজ বাংলাদেশে আসে আইসিসির দুই সদস্যের প্রতিনিধিদল।
রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে বিসিবি ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আইসিসির দেড় ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের মাটিতে খেলতে বাংলাদেশ যাবে না, এই সিদ্ধান্তেই বহাল রয়েছে বোর্ড।
বিবৃতিতে বিশ্বকাপে গ্রুপ পরিবর্তন নিয়ে সম্ভাবনার কথাও আলোচনায় উঠে এসেছে বলে উল্লেখ করে বিসিবি জানায়, গঠনমূলক, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও পেশাদার পরিবেশে সভা অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষই খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করে। আলোচনার এক পর্যায়ে লজিস্টিক বা আয়োজন-সংক্রান্ত পরিবর্তন যতটা সম্ভব কম রেখে বিষয়টি সহজ করতে বাংলাদেশকে ভিন্ন একটি গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনাও বিবেচনায় আনা হয়।
বিসিবি আরও বলছে, আলোচনার সময় বিসিবি আইসিসির কাছে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের অনুরোধ আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে। একইসঙ্গে বিসিবি বাংলাদেশ সরকারের মতামত ও উদ্বেগ তুলে ধরা হয়। বিশ্বকাপ চলাকালে খেলোয়াড়, বাংলাদেশের সমর্থক, গণমাধ্যমকর্মী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা-সংক্রান্ত বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে এই সভায়।
তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও না আসায় বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষ গঠনমূলক আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে। এর আগেও আইসিসির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে একই অবস্থান তুলে ধরেছিল বিসিবি। এবার সরাসরি আলোচনার জন্য ঢাকায় আসেন আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এপগ্রেভ।
তার সঙ্গে বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থার ইভেন্ট অ্যান্ড কর্পোরেট কমিউনিকেশন্স বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার গৌরভ সাক্সেনারও বাংলাদেশে আসার কথা ছিল। তবে ভিসা জটিলতার কারণে ঢাকায় উপস্থিত থাকতে না পারায় ভার্চুয়ালি বৈঠকে যুক্ত হন তিনি।
বৈঠকে বিসিবির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সহ-সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন ও ফারুক আহমেদ, ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদিন ফাহিম এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিজাম উদ্দিন চৌধুরী।