৯৯ রানে অপরাজিত মুশফিকের রক্ষণাত্মক একটি শট © সংগৃহীত
শততম টেস্ট—যেকোনো ক্রিকেটারের ক্যারিয়ারে এটি যেমন বড় গর্বের, তেমনি চাপেরও। কিন্তু মুশফিকুর রহিম ফের প্রমাণ করলেন, কেন তিনি সর্বদাই এগিয়ে। ক্যারিয়ারের শততম টেস্টে সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে লাল-সবুজের অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। ১৪৭ বছরের ক্রিকেট ইতিহাসে ১১তম ব্যাটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি ছোঁয়ার অপেক্ষায় মুশি। লিটনও ফিফটির খুব কাছাকাছি। প্রথম দিন শেষে ৪ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৯২ রান।
এর আগে দিনের শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদমান ইসলাম ভালো শুরু দিলেও ৫২ রানে ভাঙে ওপেনিং জুটি। ৪৪ বলে ৩৫ রান করে সাদমান ফিরে গেলে মুমিনুল নামেন ক্রিজে। এরপর দলীয় ৮৩ রানে ৮৬ বলে ৩৪ করা জয়ও বিদায় নেন। থিতু হতে পারেননি শান্তও, ১১ বলে ৮ রান করে ম্যাকব্রাইনের তৃতীয় শিকার হয়ে ফেরেন দলীয় শতরান পূর্ণ হওয়ার আগেই।
তবে বিপর্যয়ের পর পরিস্থিতি সামাল দিতে মুশফিক ও মুমিনুল দারুণ ভূমিকা রাখেন। প্রথম সেশনে তিন উইকেটে দলের সংগ্রহ ১০০ রানে থামলেও দ্বিতীয় সেশনে আইরিশ বোলারদের ওপর পুরোপুরি আধিপত্য দেখান দুজন। চা-বিরতির আগে ৬২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৯২ রান।
সেখান থেকে ম্যাথিউ হামফ্রিসকে কাভার দিয়ে চারের মারেই নিজের ক্যারিয়ারের শততম টেস্টে ১০৯ বলে অর্ধশতক পূরণ করেন মুশফিক। তার ঠিক পরেই মুমিনুল হকের আরেকটি চারে দলীয় সংগ্রহও পেরিয়ে যায় ২০০ রানের গণ্ডি। এরপর অবশ্য বেশিক্ষণ উইকেটে থিতু হতে পারেননি মুমিনুল। ১২৮ বলে ৬৩ রানে আউট এই ব্যাটার।
এরপরে মুশফিক ও লিটনের কার্যকর ব্যাটিংয়ে দিনের শেষ ভাগে দারুণ জুটি পায় বাংলাদেশ। ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ৩০০ রানের ঘর ছোঁয়ার কাছাকাছি পৌঁছে যায় দল। একই সঙ্গে লিটন-মুশফিকেও প্রথম দিন শেষে অপেক্ষা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়।
৯০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২৯২ রান। মুশফিক ১৮৭ বলে ৯৯ রানে অপরাজিত, আর লিটন ক্রিজে আছেন ৮৬ বলে ৪৭ রানে।