চেয়ারম্যান প্রার্থীকে জীবন্ত পুড়িয়ে ফেলার হুমকি সাবেক যুবদল নেতার, থানায় জিডি

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৮ PM
অভিযুক্ত ওই যুবদল নেতার নাম ফরিদ গাজী। তিনি উপজেলা সদর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

অভিযুক্ত ওই যুবদল নেতার নাম ফরিদ গাজী। তিনি উপজেলা সদর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। © টিডিসি ছবি

পটুয়াখালীর বাউফল সদর ইউনিয়নের আসন্ন ইউপি নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডলকে জীবন্ত পুড়িয়ে ফেলার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাবেক এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ওই প্রার্থী।

অভিযুক্ত ওই যুবদল নেতার নাম ফরিদ গাজী। তিনি উপজেলা সদর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

সম্প্রতি মুঠোফোনে গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডলকে ফরিদ গাজী বলেন, ‘দাদু, আমার নাম ফরিদ গাজী, বাবার নাম শামসুল হক গাজী। বিলবিলাস বাজারের কাছে আমার বাড়ি। আমার একটা শখ জাগছে—আমি একটা জ্যাতা নোমো পুড়মু। সেক্ষেত্রে আপনাকে বাইছা নিছি, এক্ষেত্রে আপনার মন্তব্য কী? আপনি চাইলে কথা রেকর্ড করে রাখতে পারেন, আপনার সুবিধা হবে। সকালে আপনারে খুঁজে আসছি। কী জন্য, ওইডা সাক্ষাতে বলমু। আপনি এলাকায় আসতেছেন কবে?’

ভুক্তভোগী ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল জানান, আসন্ন ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার কারণে ফরিদ গাজীসহ তার কয়েকজন সহযোগী তার ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে তার কিছু সমর্থক শুভেচ্ছা ব্যানার ও ফেস্টুন টানিয়েছেন। কয়েকদিন ধরে ব্যানার-ফেস্টুন টানানোর কাজে নিয়োজিত লোকজনকে ফরিদ গাজী হুমকি দিয়ে আসছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল বলেন, একই ঘটনার ধারাবাহিকতায় ফরিদ গাজী নিজের নম্বর থেকে কল করে তাকে হুমকি দিয়েছেন। ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে বৃহস্পতিবার রাতে বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

এ বিষয়ে ফরিদ গাজীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সংযোগ পাওয়া যায়নি। তবে কয়েকটি গণমাধ্যমকে ফরিদ গাজী বলেছেন, এ বিষয়ে তার কোনো মন্তব্য নেই। গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডলের লোকজন তাকে আগে হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে, হুমকির ঘটনার মধ্যে অপর একটি মামলায় আদালতের জারিকৃত গ্রেফতারি পরোয়ানায় ফরিদ গাজীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘হুমকি দেওয়ার একটি কল রেকর্ড শুনেছি। ভুক্তভোগী একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। আদালতের নির্দেশনা পেলে জিডির তদন্ত কাজ শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে রাজনীতিতে সক্রিয় না থাকলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ফরিদ গাজী বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। গত দুই বছরে তার বিরুদ্ধে মারধর, লুটপাট ও দখল সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ থানায় জমা পড়েছে। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলাও হয়েছে এবং তাকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।

রাজধানীর এক কলেজের মসজিদ থেকে জঙ্গি সন্দেহে ২৩ জন আটক
  • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতীয় পর্যায়ের কারাতে প্রতিযোগিতায় বিএইউএসটি শিক্ষার্থীর ব্…
  • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পরীক্ষায় নকল—শাস্তি পাওয়া ৬৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে রয়েছেন নিষিদ…
  • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জ্বালানি নিরাপত্তায় কেন বিপাকে বাংলাদেশ, কীভাবে সামলাবে পর…
  • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডিআইইউর ফার্মেসি ও আইন বিভাগ পেল অ্যাক্রেডিটেশন সনদ
  • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেয়ারম্যান প্রার্থীকে জীবন্ত পুড়িয়ে ফেলার হুমকি সাবেক যুবদল…
  • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬