নেত্রকোণা সদর উপজেলায় বজ্রপাতে জামাল মুন্সি নামের এক মদ্রাসা শিক্ষক ও সবুজ মিয়া নামের এক সিএনজি চালকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৪ জুন) সকালে উপজেলার আমতলা ও কাইলাটি ইউনিয়নে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জামাল মুন্সি (৪৫) আমতলা ইউনিয়নের সাপমারা গ্রামের মৃত নান্নু মিয়ার ছেলে এবং নিহত সবুজ মিয়া (৫৫) কাইলাটি ইউনিয়নের কতুবপুর গ্রামের জয়নাল মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে সাপমারা গ্রামের আরও চার কৃষকের সঙ্গে বাড়ির পাশের আইঞ্চার বিল এলাকায় মাছ ধরতে যান জামাল মুন্সি। এ সময় বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হলে তিনি বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান। সঙ্গে থাকা অন্য কৃষকেরা জামাল মুন্সি’র মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সুমন মিয়া বলেন,‘বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালে নেওয়ার সুযোগও পাওয়া যায়নি।’
অপরদিকে, সদর উপজেলার কাইলাটি ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামের সিএনজি চালক সবুজ মিয়া পানিতে ডুবে থাকা জমিতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী বাজারে টেলিভিশনে ফুটবল বিশ্বকাপের ব্রাজিল ও মরক্কোর খেলা দেখে বাড়ি ফেরার পর সকালে ফসলি জমিতে জাল নিয়ে মাছ ধরতে যান সবুজ মিয়া। এসময় বজ্রপাতে তার হমৃত্যু হয়। কয়েক ঘণ্টা পরিবারের লোকজন তাকে দেখতে না পেয়ে খুঁজতে গিয়ে জমিতে তার নিহর দেহ দেখতে পায়।
নেত্রকোণা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আল মামুন সরকার উপজেলায় বজ্রপাতে দুইজন নিহতের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।