জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ © সংগৃহীত
৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে যশোর সদর উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা এমএসটিপি গার্লস স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সেরা হয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে যশোর জিলা স্কুল।
প্রতিযোগিতায় প্রকল্প উপস্থাপন, বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ এবং অলিম্পিয়াড—সব ক্ষেত্রেই জিলা স্কুলের শিক্ষার্থীরা শীর্ষস্থান অর্জন করে। জুনিয়র গ্রুপে প্রকল্প উপস্থাপনে প্রথম স্থান অর্জন করে এস এম জাওয়াদ ও রাহয়ান সাদিক। একই গ্রুপে দ্বিতীয় হয়েছে যশোর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের খন্দকার মাসুদ ও অরন্য চক্রবর্তী এবং তৃতীয় হয়েছে যশোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইফফাত জামান ও অয়ন্তিকা দে।
বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে শেখ ইমতেহান মাহমুদ, জাফর সাদিক ও হাসিন চৌধুরী। একই ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় হয়েছে পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আব্দুর রহমান, নাফিউর রহমান ও আফাইদ আল রাদিত এবং তৃতীয় হয়েছে কালেক্টরেট স্কুলের তানভীর ইসলাম, অনিমেষ পাল ও অমিক পোদ্দার।
অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতায় জুনিয়র গ্রুপে প্রথম হয়েছে হাসিন চৌধুরী। দ্বিতীয় হয়েছে পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আব্দুর রহমান, তৃতীয় তানজিম মাহমুদ ওহী, চতুর্থ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সোহানা ইসলাম সেতু এবং পঞ্চম জান্নাতুল ফেরদৌস।
সিনিয়র গ্রুপে প্রকল্প উপস্থাপনে প্রথম হয়েছে যশোর সরকারি পলিটেকনিক কলেজের শরীফ বরকত উল্লাহ ও সাদ আব্দুর রহমান। দ্বিতীয় হয়েছে ক্যান্টনমেন্ট কলেজের নাসিদ ইসলাম নাইমা ও ফাইজা সুলতানা এবং তৃতীয় হয়েছে যশোর সরকারি মহিলা কলেজের জান্নাতুল ফেরদৌস ও অনন্যা দেবনাথ।
বিশেষ গ্রুপে প্রথম হয়েছে লোটাস বিজ্ঞান ক্লাবের দিপান্বিতা রায়, দ্বিতীয় জেসিবি বিজ্ঞান ক্লাবের তাহমিছুল সাফিন ও সাকমুন জুয়েল এবং তৃতীয় হয়েছে পরমাণু পরিষদের শেখ সামসাদ বেনজির ও মুস্তাকিম নাহিদ।
সিনিয়র গ্রুপের অলিম্পিয়াডে প্রথম হয়েছে ক্যান্টনমেন্ট কলেজের অথই আক্তার শান্তা। দ্বিতীয় নাজিফা আলম, তৃতীয় শাহালম হোসেন জীম, চতুর্থ সৈয়দ তানজিম ইসলাম এবং পঞ্চম হয়েছে সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজের আব্দুল্লাহ আল মাহী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) খান মাসুম বিল্লাহ।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহারিয়ার হকের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কামাল আহমেদ, একাডেমিক সুপারভাইজার এস এম আশিক আহমেদ এবং এমএসটিপি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ খায়রুল আনামসহ অনেকে।