বিশ্বকাপ শিরোপা © সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে চলছে ফিফা বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। বৈশ্বিক এই মহারণের চলমান আসরে এশিয়া অঞ্চল অর্থাৎ এএফসির রেকর্ড ৯টি দেশ খেলছে। তবে বিশ্বকাপ চলাকালেই আবারও আলোচনায় এশিয়ার দেশগুলোর ফুটবল ইতিহাস ও অংশগ্রহণের পরিসংখ্যান।
এই তালিকার ইতিহাসে সবচেয়ে এগিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া। চলমান আসরসহ বিশ্বমঞ্চে ১২ বার অংশ নিয়েছে তারা। এর মধ্যে ২০০২ আসরে সেমিফাইনালে উঠেছিল তারা। সেই আসরে ইতালি ও স্পেনকে হারিয়ে পুরো বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল তারা। এশিয়ার জন্যও এক মাইলফলক এটি।
অন্যদিকে ১৯৯৮ সালে অভিষেকের পর থেকে নিয়মিতভাবে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিচ্ছে জাপান। এখন পর্যন্ত ৮ বার অংশগ্রহণ করেছে তারা। তবে ২০২২ বিশ্বকাপে একের পর এক বড় চমক দেখায় তারা। এই আসরেই স্পেনকে হারিয়ে গ্রুপ টপার হওয়ার পাশাপাশি জার্মানিকে ২–১ গোলে হারানোর উল্লাসেও মেতেছিল তারা। এই দুটি জয়কে বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম বড় আপসেট হিসেবেও ধরা হয়।
এদিকে কাতার বিশ্বকাপে রীতিমতো অঘটন ঘটিয়েছিল সৌদি আরব। সেবার গ্রুপ পর্বে ফেভারিট আর্জেন্টিনাকে ২–১ গোলে হারায় তারা। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন লিওনেল মেসির দলকে হারানো এই ম্যাচকে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অঘটনের একটি বলে মনে করেন অনেকেই।
একই আসরে ডেনমার্ক ও তিউনিসিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে যায় অস্ট্রেলিয়া। ডেনমার্কের বিপক্ষে জয়সহ তাদের কঠিন ডিফেন্সিভ পারফরম্যান্স বিশ্বমঞ্চে প্রশংসা কুড়ায় সকারুরা।
অন্যদিকে ১৯৬৬ বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে অবিশ্বাস্য গল্পগুলোর একটি লিখেছিল নর্থ কোরিয়া।
শক্তিশালী ইতালিকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যায় তারা। তখন এশিয়ার জন্য অচিন্তনীয় বিষয়ই ছিল এটি।
দক্ষিণ কোরিয়া: ১২ বার (১৯৫৪, ১৯৮৬, ১৯৯০, ১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০২, ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬)
জাপান: ৮ বার (১৯৯৮, ২০০২, ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬)
ইরান: ৭ বার (১৯৭৮, ১৯৯৮, ২০০৬, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬)
সৌদি আরব: ৭ বার (১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০২, ২০০৬, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬)
অস্ট্রেলিয়া: ৭ বার (২০০৬-এর আগে ওশেনিয়া অঞ্চলে ছিল), ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬)