দুবাই থেকে আহমদ আলী মরদেহ সিলেটে পৌঁছালে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী গ্রহণ করেন © টিডিসি
মধপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে বোমা হামলায় নিহত আহমদ আলীর (সালেহ আহমদ) মরদেহ দেশে ফিরেছে। সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সিলেট এমএজি ওসমানী বিমানবন্দরে আসে সালেহর কফিনবন্দী মরদেহ।
এ সময় প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী মরদেহ গ্রহণ করেন। এর আগে দুবাই থেকে ঢাকায় এসে পৌঁছে আহমদ আলীর মরদেহ। সেখান থেকে বিমানে সিলেটে নিয়ে আসা হয়।
জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ে ইরানের মিসাইল হামলায় মারা যান আলী। ৩৫ বছর ধরে দুবাইয়ে ছিলেন তিনি। পাসপোর্ট অনুযায়ী আর তার আহমদ আলী হলেও নিজ এলাকায় তিনি সালেহ আহমদ নামে পরিচিত। মরদেহ সিলেটে পৌঁছার পর তার স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। আহমদ আলীর ছেলে, ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা মরদেহ নিতে বিমানবন্দরে আসেন। এ সময় প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী তাদের সান্ত্বনা দেন।
এ সময় মরদেহ গ্রহণের পর প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন,‘ মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতে চার বাংলাদেশি মৃত্যুর তথ্য জানতে পেরেছি। তারমধ্যে একজন দুবাই, একজন বাহারাইন ও দুজন সৌদি আরবে মারা গেছেন। আজ একজনের মরদেহ দেশে আনা হলো। পর্যায়ক্রমে বাকিদের মরদেহ আনা হবে।’
তিনি বলেন, ‘যারা আহত হয়েছেন তারাও সেসব দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আমরা তাদের খোঁজখবর নিচ্ছি। পরিবারের সাথেও যোগাযোগ রাখছি। প্রবাসীদের পাশে আমরা আছি।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি নিহতের লাশ নিয়ে তার গ্রামের বড়ি যাব। তার পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। নিহতদের পারিবারকে সরকারের তরফ থেকে সাহায্য করা হবে। লাশ গ্রহণের পর নিহতের চাচাতো ভাই কামাল আহমদ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, দুর্ঘটনার পর থেকে সরকারের তরফ থেকে আমাদের পরিবারের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করা হয়েছে। আমাদের দাবি, আমার ভাইকে যেনো শহীদের মর্যাদা দেওয়া হয়।’