আন্তর্জাতিক শ্রম অভিবাসনের গতি-প্রকৃতি, অর্জন ও চ্যালেঞ্জ বিষয়ে প্রতিবেদন রামরু’র © সংগৃহীত
২০২৫ সালে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক শ্রম অভিবাসনের গতি-প্রকৃতি, অর্জন ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে রেফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু) ‘আন্তর্জাতিক শ্রম অভিবাসনের গতি-প্রকৃতি ২০২৫: অর্জন ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক বার্ষিক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রামরু এটি প্রকাশ করে।
প্রতিবেদনে ২০২৫ সালে শ্রম অভিবাসনের সামগ্রিক চিত্র, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের ভূমিকা, আইন ও নীতিগত পরিবর্তন, আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে অভিবাসীদের সুরক্ষা পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ করণীয় তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা বিপুলভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারের নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব বেড়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যে দেখা গেছে, ভারতের মোট রিক্রুটিং এজেন্সি ১৯৮৮, পাকিস্তান ২৫২৯, নেপাল ১০৪১ এবং শ্রীলঙ্কা ৮৫৭। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারের পক্ষে এই সংখ্যক এজেন্সি মনিটর করা তুলনামূলকভাবে সহজ।
বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভিন্ন; অতীতে দেশের এজেন্সির সংখ্যা ৮৫০ থেকে ৯০০-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। তবে দুর্নীতির কারণে গত সরকারের শেষের দিকে এটি বেড়ে ২৩০০-এ পৌঁছায়। রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য মন্ত্রণালয়কে অর্থনীতি বিষয়ক শ্বেতপত্রে সুপারিশ করা হয়েছিল।
হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এই বছরে ১৮৮টি এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল এবং ১৯১টির লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি ২৫২টি নতুন এজেন্সির লাইসেন্স মঞ্জুরির আবেদন অনুমোদন হয়েছে। তবে এই হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে মোট রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা ২৬৪৬, যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।