মধ্যবর্তী নির্বাচন কী, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৮ PM
 যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী ইলেকশন

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী ইলেকশন © টিডিসি ছবি

যুক্তরাষ্ট্রে আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মধ্যবর্তী নির্বাচন। এই নির্বাচনের ফলের ওপর নির্ভর করছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর মেয়াদের বাকি দুই বছর কংগ্রেসে কতটা সমর্থন পাবেন এবং তাঁর সরকারের নীতি বাস্তবায়নের পথ কতটা সহজ বা কঠিন হবে। ভোটের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে মার্কিন কংগ্রেসের দুই কক্ষ—প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে থাকবে। ফলে এই নির্বাচন শুধু যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির ক্ষমতার ভারসাম্যই বদলাতে পারে না, দেশটির বাণিজ্য, অভিবাসন, প্রযুক্তি ও পররাষ্ট্রনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বিষয়েও নির্বাচনের ফলের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কী, কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ এবং কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ বদলে গেলে কী হতে পারে—এসব বিষয় বুঝতে হলে প্রথমে দেশটির নির্বাচনী ব্যবস্থা ও কংগ্রেসের ভূমিকা সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি চার বছর পরপর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অন্যদিকে, কংগ্রেসের নির্বাচন হয় প্রতি দুই বছর পরপর। প্রেসিডেন্টের চার বছরের মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে কংগ্রেসের এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় বলে একে মধ্যবর্তী নির্বাচন বা ‘মিডটার্ম ইলেকশন’ বলা হয়।

এ বছর ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে কংগ্রেসের দুই কক্ষের সদস্য নির্বাচিত হবেন। প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সব কটিতে এবং ১০০ সদস্যের সিনেটের ৩৫টি আসনে ভোট গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে গভর্নরসহ বিভিন্ন পদেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তবে মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন না। অর্থাৎ, রিপাবলিকান পার্টি বা ডেমোক্রেটিক পার্টি—যে দলই বেশি আসন পাক না কেন, সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী মেয়াদ শেষ হওয়ার আগপর্যন্ত ডোনাল্ড ট্রাম্পই প্রেসিডেন্ট থাকবেন। এই নির্বাচনের মূল গুরুত্ব হলো, প্রেসিডেন্টের বাকি মেয়াদে আইন প্রণয়ন ও সরকারের কর্মকাণ্ড তদারকির ক্ষেত্রে কোন দল কতটা ক্ষমতা পাবে, তা নির্ধারণ করা।

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসকে অনেকটা ভারতের পার্লামেন্টের সঙ্গে তুলনা করা যায়। তবে দেশগুলোর শাসনব্যবস্থা ও আইন প্রণয়নের পদ্ধতিতে পার্থক্য রয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসের দুটি কক্ষ—প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট। কেন্দ্রীয় পর্যায়ে আইন প্রণয়ন, সরকারি ব্যয় অনুমোদন এবং সরকারের কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারির ক্ষেত্রে এই দুই কক্ষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

প্রতিনিধি পরিষদে ভোটাধিকারসম্পন্ন সদস্য রয়েছেন ৪৩৫ জন। অঙ্গরাজ্যগুলোর জনসংখ্যার ভিত্তিতে এই কক্ষের আসন বণ্টন করা হয়। সদস্যরা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হন। এ কারণে প্রতি দুই বছর পরপর প্রতিনিধি পরিষদের সব আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে, সিনেটে মোট ১০০ জন সদস্য রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্য থেকে দুজন করে সিনেটর নির্বাচিত হন। তাঁদের মেয়াদ ছয় বছর। তবে সিনেটের সব আসনে একই সঙ্গে নির্বাচন হয় না। প্রতি দুই বছর পরপর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এবার সিনেটের ৩৫টি আসনে ভোট গ্রহণ করা হবে।

কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ কোনো দলের হাতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, নিজেদের রাজনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে দলগুলোকে উভয় কক্ষে প্রয়োজনীয় সমর্থন নিশ্চিত করতে হয়। প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পাওয়া যায় না। একইভাবে সিনেটে বেশি আসন পেলেও প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত হয় না। ফলে একটি দল এক কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও অন্য কক্ষে বিরোধী দলের বাধার মুখে পড়তে পারে।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই নির্বাচনের মাধ্যমে তাঁর মেয়াদের বাকি সময়ে কংগ্রেসে সরকারের নীতির পক্ষে কতটা সমর্থন থাকবে, তার একটি স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যাবে।

রিপাবলিকান পার্টি যদি প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারে, তাহলে ট্রাম্পের পক্ষে নতুন আইন পাস করানো এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা তুলনামূলক সহজ হতে পারে। তবে নিজ দলের ভেতরে মতবিরোধ থাকলে তাঁর পরিকল্পনা বাস্তবায়নেও বাধা তৈরি হতে পারে।

অন্যদিকে, ডেমোক্রেটিক পার্টি যদি কংগ্রেসের যেকোনো একটি কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পায়, তাহলে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য নতুন আইন পাস করানো কঠিন হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ বিরোধী দলের হাতে গেলে সরকারি সিদ্ধান্ত ও প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তদন্ত করার সুযোগ বাড়বে। এ ক্ষেত্রে প্রতিনিধি পরিষদের বিভিন্ন কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এসব কমিটির মাধ্যমে বিরোধী দল প্রশাসনের কাজের ওপর নজরদারি চালাতে এবং বিভিন্ন বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করার চেষ্টা করতে পারে।

প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রেও প্রতিনিধি পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এই কক্ষ অভিশংসনের অভিযোগ উত্থাপন করতে পারে। এরপর সিনেটে সেই অভিযোগের বিচার হয়। সিনেটে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে পদ থেকে অপসারণ করা সম্ভব। তবে বিরোধী দল মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ী হলেই যে অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু হবে কিংবা প্রেসিডেন্টকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে, এমন কোনো নিয়ম নেই।

কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ভিন্ন দলের হাতে চলে গেলে কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয়, করনীতি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াও কঠিন হতে পারে। কোনো প্রস্তাব পাস করতে দুই কক্ষের সমর্থন প্রয়োজন হলে দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা জরুরি হয়ে পড়ে। সমঝোতা না হলে সরকারি ব্যয় অনুমোদনসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আটকে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।

এদিকে, সাম্প্রতিক জনমত জরিপে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার চিত্র উঠে এসেছে। জনমত জরিপবিষয়ক ওয়েবসাইট সিলভার বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার শুরুতে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের হার ছিল ৫০ শতাংশের কিছু বেশি। তবে অক্টোবরের শুরুতে তা কমে প্রায় ৩৭ শতাংশে নেমে আসে। একই সময়ে ৬১ শতাংশ উত্তরদাতা তাঁর কাজের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। জনমতের এই প্রবণতা নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের জন্য কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্বাচনের ফলেই স্পষ্ট হবে।

মধ্যবর্তী নির্বাচনে মার্কিন ভোটাররা শুধু প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা বিবেচনা করে ভোট দেন না। তাঁরা কংগ্রেসের সদস্যদের পাশাপাশি অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন পদে প্রার্থীদেরও বেছে নেন। ফলে জাতীয় রাজনীতির পাশাপাশি স্থানীয় সমস্যা, প্রার্থীদের কর্মকাণ্ড এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিও ভোটারদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে।

জীবনযাত্রার ব্যয়, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা, অভিবাসন, শিক্ষা এবং অর্থনীতির ভবিষ্যৎ ভোটারদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে। দ্রব্যমূল্য ও দৈনন্দিন খরচ নিয়ে উদ্বিগ্ন ভোটাররা অর্থনৈতিক নীতিকে গুরুত্ব দিতে পারেন। আবার অভিবাসন, স্বাস্থ্যসেবা বা শিক্ষানীতির মতো বিষয়ও অনেকের ভোটের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।

কিছু ভোটার ট্রাম্পের নীতির প্রতি সমর্থন জানাতে রিপাবলিকান প্রার্থীদের ভোট দিতে পারেন। অন্যদিকে, কেউ কেউ কংগ্রেসের মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার ওপর নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য বজায় রাখতে ডেমোক্রেটিক প্রার্থীদের সমর্থন করতে পারেন। প্রার্থীদের আগের কর্মকাণ্ড, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এবং নিজ নিজ এলাকার মানুষের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ও ভোটারদের বিবেচনায় থাকবে।

তবে সব অঙ্গরাজ্য কিংবা সব ভোটারগোষ্ঠীর কাছে একই বিষয় সমান গুরুত্বপূর্ণ নয়। যুক্তরাষ্ট্রে সারা দেশের জন্য একই প্রার্থী বা প্রতীকে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা নেই। একজন ভোটার কোথায় বসবাস করেন, তার ওপর নির্ভর করে ব্যালটে কোন কোন প্রার্থী ও পদ থাকবে। ফলে কোনো অঙ্গরাজ্যে যে বিষয়টি নির্বাচনের প্রধান ইস্যু, অন্য অঙ্গরাজ্যে সেটি তুলনামূলক কম গুরুত্ব পেতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রভাব দেশটির সীমানার বাইরেও পড়তে পারে। বাণিজ্যনীতি, শুল্ক, অভিবাসন, প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কর্মসংস্থান এবং পররাষ্ট্রনীতির মতো বিষয়ে কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে নির্বাচনের ফলের প্রভাব নিয়ে আলোচনা রয়েছে।

কংগ্রেস আইন প্রণয়ন, করনীতি ও বাণিজ্যসংক্রান্ত সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে বাণিজ্য ও পররাষ্ট্রনীতির সব সিদ্ধান্ত শুধু কংগ্রেসের হাতে থাকে না; প্রেসিডেন্টেরও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে। তাই মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ বদলালেই যুক্তরাষ্ট্রের ভারতনীতি, ভিসাব্যবস্থা বা বাণিজ্যনীতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলে যাবে—এমনটি বলা যায় না। তবে কংগ্রেসে ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তিত হলে এসব বিষয়ে আইন প্রণয়ন, অর্থায়ন ও নীতিগত বিতর্কের ধরন বদলাতে পারে।

আগামী ৩ নভেম্বর ভোট গ্রহণ করা হবে। তবে ভোটের দিন রাতেই সব আসনের চূড়ান্ত ফল জানা যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। কিছু আসনের ফল দ্রুত পাওয়া গেলেও অন্য কয়েকটি আসনে গণনা শেষ হতে বেশি সময় লাগতে পারে। বাকি থাকা ব্যালট গণনা, ভোট যাচাই, পুনর্গণনা কিংবা আইনি চ্যালেঞ্জের কারণে চূড়ান্ত ফল ঘোষণায় দেরি হতে পারে।

প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের পৃথক আসনের ফলের ভিত্তিতেই কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারিত হবে। একটি দল প্রতিনিধি পরিষদে আসন বাড়ালেও সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে নাও পারে। আবার সিনেটে অগ্রগতি হলেও প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ অন্য দলের হাতে থাকতে পারে। তাই শুধু সারা দেশে কোনো দল কত ভোট পেয়েছে, তা দিয়ে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণ করা যায় না। বরং দুই কক্ষের প্রতিটি আসনের ফল আলাদাভাবে বিবেচনা করতে হয়।

সব মিলিয়ে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন না হলেও দেশটির রাজনৈতিক ক্ষমতার ভারসাম্য নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারলে ট্রাম্পের জন্য আইন প্রণয়ন ও নীতি বাস্তবায়নের পথ তুলনামূলক সহজ হতে পারে। বিপরীতে, ডেমোক্রেটিক পার্টি এক বা উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ পেলে তাঁর প্রশাসনকে কংগ্রেসে আরও বেশি বাধা ও জবাবদিহির মুখে পড়তে হতে পারে। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের ফল শুধু ট্রাম্পের মেয়াদের বাকি দুই বছরের রাজনৈতিক পরিস্থিতিই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গতিপথেও প্রভাব ফেলতে পারে।

মিয়ানমারে পাচারকালে ৩০০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ, আটক ১
  • ০৭ নভেম্বর ২০২৬
সারারাত এপাশ-ওপাশ? গভীর রাতে আরামদায়ক ঘুমের জন্য মেনে চলুন …
  • ০৭ নভেম্বর ২০২৬
চবিতে ছাত্রদল নেতা মুছাকে স্মরণ, হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার…
  • ০৭ নভেম্বর ২০২৬
গভীর রাতে গুনাহ মাফ ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের বিশেষ আমল 
  • ০৭ নভেম্বর ২০২৬
আন্দোলনকে কোনো রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে…
  • ০৭ নভেম্বর ২০২৬
দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে জামায়াতকর্মী নিহত
  • ০৭ নভেম্বর ২০২৬
×
NORTH SOUTH
UNIVERSITY Center of Excellence
UNDERGRADUATE
ADMISSION
SPRING 2027
APPLY NOW
APPLICATION DEADLINE
NOVEMBER 22, 2026
ADMISSION TEST
NOVEMBER 28, 2026
WORLD RANKINGS 2027#801-1000
WORLD RANKINGS 2027#901-950