ছাত্রকে নিয়মিত নগ্ন ছবি পাঠাতেন শিক্ষক, দুই বছরের কারাদণ্ড আদালতের

০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৪০ PM , আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৪১ PM
 অভিযুক্ত শিক্ষক

অভিযুক্ত শিক্ষক © টিডিসি ফটো

এক অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রকে নিয়মিত নিজের নগ্ন ছবি পাঠিয়ে শেষ পর্যন্ত শ্রীঘরে ঠাঁই হলো যুক্তরাষ্ট্রের এক সাবেক শিক্ষকের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের এক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে অনবরত নিজের নগ্ন ছবি পাঠানোর দায়ে ক্যাসিডি কার্টার নামে ওই সাবস্টিটিউট শিক্ষককে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যকার অনৈতিক সম্পর্কের এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালতের রায়ের মাধ্যমে পুরো বিচারিক প্রক্রিয়ার সমাপ্তি ঘটল।

আদালতের নথি অনুযায়ী, ক্যাসিডি কার্টার নামের ওই শিক্ষক নিজের অপরাধ স্বীকার করে ‘মাঝারি মাত্রার শারীরিক ক্ষতি’ সংক্রান্ত দুটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন। এরপর বিচারক তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। তবে কারাগারে কাটানো আগের দুই দিন তার এই মূল সাজা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ক্যাসিডি কার্টার যখন এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটান, তখন তার বয়স ছিল মাত্র ২১ বছর এবং তিনি সাউথ ডিয়ারবর্ন কমিউনিটি স্কুল করপোরেশনে বিকল্প শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, শুরুতে তার বিরুদ্ধে শিশুকে প্রলুব্ধ করার (চাইল্ড সলিসিটেশন) একটি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছিল। তবে ডিয়ারবর্ন কাউন্টির প্রসিকিউটর লিন ডেডেন্স জানান, পরে আইনি কৌশল ও পরিস্থিতির কারণে অভিযোগ পরিবর্তন করা হয়। কারণ, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ওই এলাকা ছেড়ে চলে যায় এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকায় মামলার সঙ্গে আর যুক্ত থাকতে চায়নি।

আদালতের নথি থেকে আরও জানা যায়, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে ওই ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী একজন স্কুল রিসোর্স কর্মকর্তাকে পুরো বিষয়টি খুলে বলে। পরে ওই কর্মকর্তা তাৎক্ষণিকভাবে স্কুলের প্রধান শিক্ষককে বিষয়টি অবহিত করেন এবং আইনি পদক্ষেপ নেন। তদন্তে শিক্ষার্থী জানায়, জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে কার্টারের সঙ্গে তার প্রথম পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়।

তদন্তকারীদের তথ্য অনুযায়ী, এই অনলাইন কথোপকথনের আড়ালেই কার্টার ওই শিক্ষার্থীকে নিয়মিত নিজের নগ্ন ছবি পাঠাতেন। অনেক সময় তিনি রাতে গোসল করার পর এসব ছবি পাঠাতেন। শুধু ছবি পাঠানোই নয়, কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, তিনি ওই শিক্ষার্থীকে বলেছিলেন যে তিনি তাকে ভালোবাসেন।

প্রসিকিউটররা জানান, তদন্তের সময় কার্টারের মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয় এবং ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে ফোন থেকে ওই আপত্তিকর ছবিগুলো এবং একাধিক বার্তার ডিজিটাল তথ্য উদ্ধার করা হয়, যা আদালতে অপরাধের অকাট্য প্রমাণ হিসেবে কাজ করেছে। কার্টারের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ ছিল, তিনি শিক্ষক হিসেবে পবিত্র দায়িত্ব পালনের সময় একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীর সঙ্গে অনৈতিক যোগাযোগ তৈরি করেছিলেন এবং তাকে ব্যক্তিগত ছবি পাঠিয়েছিলেন, যা শিক্ষকতার নৈতিকতা ও আইন দুটোরই চরম লঙ্ঘন।

আজ টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
  • ২৩ অক্টোবর ২০২৬
এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ-সময় নিয়ে ভুয়া বিজ্ঞপ্তি, সতর্ক ক…
  • ২৩ অক্টোবর ২০২৬
দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের
  • ২৩ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারে নিখোঁজ আরও এক পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার, নিহত বেড়ে ৫
  • ২৩ অক্টোবর ২০২৬
গভীর রাতে ঢাবিতে বিসিএসের গেজেটবঞ্চিতদের অনশন থেকে ছাত্রলীগ…
  • ২৩ অক্টোবর ২০২৬
নিরাপত্তা ত্রুটিতে লাখ লাখ সাইবার হামলার চেষ্টা, অনলাইন সেব…
  • ২৩ অক্টোবর ২০২৬