ফাতিমা তাসনিম জুমা

ভেঙে ফেলা প্রথম ছবিটা জিন্নাহর না, দ্বিতীয়টা একে ফজলুল হকের লাহোর প্রস্তাবের

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৪ PM , আপডেট: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৩ PM
ডাকসু সংগ্রহশালায় আবু তৈয়ব হাবিলদার ও ফাতিমা তাসনিম জুমা

ডাকসু সংগ্রহশালায় আবু তৈয়ব হাবিলদার ও ফাতিমা তাসনিম জুমা © টিডিসি সম্পাদিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় রাখা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর বিতর্কিত তিনটি ছবি ভেঙে ফেলার ঘটনায় এবার মুখ খুললেন ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা। সংগ্রহশালায় এসব ছবি রাখার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন তিনি।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে ফাতিমা তাসনিম জুমা লিখেছেন, ‘এই সন্ত্রাসীটা প্রথমে যে ছবিটা ভাঙছে ওইটা একক জিন্নাহর ছবি না। ছবিটা ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের প্রথম জাতীয় নির্বাচনের একটা পেপার কাটিং। সেই সময়ে ওই নিউজ মিডিয়া জিন্নাহর নামে একটি নিউজ করেছিল। কিন্তু আজ প্রায় ষাট বছর পর দোষটা ডাকসুর হয়ে গেল।’

তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় যে ছবিটার ওপর তাণ্ডব চালাচ্ছে, সেটা ১৯৪০ সালে বাংলার বাঘ একে ফজলুল হকের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের সময়ের। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের রূপরেখা যেই লাহোর প্রস্তাবের মধ্যেই রচিত ছিল, সেই লাহোর প্রস্তাব এটা। এই ছবিতে শেরে বাংলার সাথে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহও দাড়িয়েছিলেন। এ জন্যে লাহোর প্রস্তাবের ছবিটা ভেঙেছে।’

ফাতিমা তাসনিম জুমা আরও বলেন, ‘তৃতীয় ছবিটা ভাঙার সময়ে বলতেসে জিন্নাহ একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করতে চেয়েছিল। সেটা থেকে ভাষা আন্দোলনের শুরু। অথচ ছবিটার ক্যাপশনে ঠিক সেই কথাটাই লেখা আছে। কত বড় গণ্ডমূর্খ হইলে এই ছবিকে গ্লোরিফাই বইলা সরানোর কথা বলে আমি জানি না। যাই হোক, এইটা মাত্র শুরু। বিসমিল্লাহ।’

এর আগে ডাকসু সংগ্রহশালায় ফ্রেম ভেঙে ছবিগুলো ছিঁড়ে ফেলেন আবু তৈয়ব হাবিলদার নামে সাবেক এক শিক্ষার্থী। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংগ্রহশালায় গিয়ে ফ্রেম ভেঙে ছবিটি ছিঁড়ে ফেলেন তিনি। 

আরও পড়ুন: ডাকসুতে থাকা জিন্নাহর সেই ছবি ছিঁড়ে ফেললেন ছাত্রনেতা তৈয়ব হাবিলদার

আবু তৈয়ব ডাকসু নির্বাচনের আলোচিত ও বয়োজ্যেষ্ঠ ভিপি (সহ-সভাপতি) প্রার্থী ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১-০২ শিক্ষাবর্ষের উর্দু বিভাগের ছাত্র। ছবিটি স্থাপনের পর থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

ছবি ভাঙার আগে আবু তৈয়ব হাবিলদার বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূত্রটা জিন্নাহ তৈরি করে দিয়েছে। কার্জন হলে ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে বলে যে, পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু হবে, বাংলা হবে না। আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক ছাত্র প্রতিবাদ করেছিলেন। তারা বলেছিলেন, জিন্নাহ সাহেব আপনার এই সিদ্ধান্ত আমরা মানি না।’

তিনি বলেন, ‘ভাষা আন্দোলনের মূল নায়ক হিসেবে প্রিন্সিপাল আবুল কাসেম ১১ মার্চ ১৯৪৮ শুরু করেছিলেন এবং উনার নেতৃত্বে হরতাল পালন হয়েছিল। সেখানে অনেক ছাত্র গ্রেপ্তার হয়েছিলেন, দুই হাজারের ওপরে। সেই জিন্নাহ ডাকসুতে স্থান পেতে পারে না।’

সাংবাদিক পেটানোকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার অভিযোগ’ বলল কেন্দ্রীয়…
  • ০৫ অক্টোবর ২০২৬
সাংবাদিকদের হামলা, শিবিরের ওপর দায় দিলেন রাবি ছাত্রদল সভাপতি
  • ০৫ অক্টোবর ২০২৬
বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত প্রীতম-শেহতাজের
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
অনার্স তৃতীয় বর্ষের ফরম পূরণের সময় বাড়াল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক নিয়োগ দেবে অ্যাসোসিয়েট, আবেদন ৯ অক্…
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬
ফেলোশিপে পড়াশোনার সুযোগ সুইজারল্যান্ডে, করুন আবেদন
  • ০৪ অক্টোবর ২০২৬